বুতিদং জেল কতৃপক্ষ রোহিঙ্গা কয়েদিদের স্থানান্তর করেছে

মংডু,আরাকান।বুতিদং জেল কতৃপক্ষ রোহিঙ্গা কয়েদিদের ভিন্ন ভিন্ন পুলিশ
হেফাজত স্থানান্তর করছে বলে জানান একজন জেল কর্মকর্তা যিনি তার
নাম প্রকাশে অপারগতা জানান।

“জেল কতৃপক্ষ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের থেকে এই নির্দেশ পান যাতে তারা শিক্ষিত,
এবং যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন এর ব্যাপারে ইউএন এর বিশেষ প্রতিনিধি তমাস অজে
কুইনটানার কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন যখন তিনি আরাকান(রাখাইন),কাচিন,
সান,চীন ও মেইকটিলা সফর করবেন আগস্ট এর ১১ থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত ,তাদের
যাতে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।”
সরকার রোহিঙাদের উপর অত্যাচার এর প্রমান লুকিয়ে ফেলতে  চাচ্ছেন এবং ৩২ জন
রোহিঙ্গা কয়েদিদের জেলে থেকে মংডু পুলিশ হেফাজতে ও আরো ৩০ জনকে বুতিদং
পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে এবং তারা সবাই যারা হাজতে আছে তারা বন্দী বলে জানান
মংডুর একজন রোহিঙ্গা নেতা।
“বুতিদং জেলে ১০০০ জনের বেশী রোহিঙ্গা কয়েদী আছেন যারা গত ১২ জুন থেকে মিথ্যা
অভিযোগে আটক রয়েছেন দাঙ্গার ফলে,তাদের মধ্যে কয়েকজন মারা যান নির্যাতনের ফলে
এবং পরিবারের সদস্যরা জানেন না তাদের মৃতদেহ কি আছে নাকি কবর দিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
কিন্তু “সরকারের সাথে চুক্তি আমাকে দেশের বিভিন্ন অংশে প্রবেশাধিকার প্রদান করে এবং এটি
একটি গুরুত্বপূর্ন সুযোগ মানবাধিকার পরিস্থিতির কি পরিমান উন্নয়ন হচ্ছে সংস্কার কার্যক্রম
এর সাথে,”বলে জানান মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ যিনি সরকারের আমন্ত্রনে মিয়ানমার পরিদর্শন
করছেন বলে জানায় ইউএনওজি ওয়েবসাইট।
“রাখাইন রাজ্যে আমি দেখব কি কি ধাপসমূহ নেওয়া হয়েছে যাতে একটি সম্প্রীতিপূর্ন বহুসাংস্কৃতিক
সমাজ গঠনের জন্য।এর মধ্যে রয়েছে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং যাদের মধ্যে সরকারী
কর্মকর্তাও আছে তাদের যাতে গণনায় আনা হয়।”মিঃ ওজে কুইনটানা আরো জানান,”আমি অপেক্ষা
করছি যে কিভাবে রোহিঙ্গা সমাজের বিরূদ্ধে দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনের ব্যাপারে কি উন্নতি হয়েছে
সে দিকে দৃষ্টিপাত করেন।”
তারা এগারো দিন এর মিয়ানমার সফরে ইউ এন বিশেষ প্রতিনিধি আইএনজিও এর মানবাধিকার
কর্মকর্তা ও বন্দী যারা আটক রয়েছেন তাদের সাথে কথা বলার ইচ্ছা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে
ওয়েবসাইটটি।

Leave a Reply