স্থানীয় বাঙালী কুতুপালং এ একজন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে হত্যা করেছে

কুতুপালং বাংলাদেশ।একজন স্থানীয় বাংলাদেশী আজ সকালে কিছু সামান্য ভাড়ার
জন্য একজন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে হত্যা করেছেন বলে জানান একজন শরনার্থী নেতা।
জাহাঙ্গীর,একজন বাংলাদেশী যিনি এমএসএফ ও এসিএফ অফিসের সামনে বাস করেন তিনি
নুর মোহাম্মদ(৪৫) যিনি অনিবন্ধিত ক্যাম্পের ই২ ব্লক এর বাসিন্দা,তার কাছ থেকে
একটু খোলা জায়গার জন্য ভাড়া দাবি করে,আজ সকালে জাহাঙ্গীর ও তার ছেলেরা নূরকে
তাদের ঘরে ডেকে পাঠান এবং সেখানে আসলে তাকে নির্যাতন করা হয় এবং ফলশ্রুতিতে
তিনি মৃত্যুমুখে ঢলে পড়েন।
কিছু শরনার্থী জানান যারা প্রতক্ষ্যদর্শী ছিলেন , তারা নুরের অবস্থা দেখতে জাগিরার
ঘরে যান কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা তাদের মৃত দেখতে পান।”
শরনার্থী ও সদস্যরা ক্যাম্পে কমিটিকে জানান এই ব্যাপারে এরপর তারা উখিয়া
থানাতে এই হত্যার ব্যাপারে জানান বলে জানিয়েছেন একজন ক্যাম্পের কমিটি সদস্য।
শরনার্থী ও পুলিশ দেখতে পান,নুরকে দড়ির সাথে বেধেঁ ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হয়
কেবল ৪০ টাকার জন্য,জাহাঙ্গীর ও তার ছেলেরা মানুষটির জন্য কোন চিন্তা করেননি
কেবল ৪০টাকার কথা চিন্তা করেছে।
যখন শরনার্থীরা ঘটনাস্থলে পৌছান তখন জাহাঙ্গীর ও তার ছেলেরা পালিয়ে যায়,পুলিশ
তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের হন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং এখনো তা হস্তান্তর করে নি।
রোহিঙ্গা যারা বার্মাতে বাস করছেন তাদের কোন মর্যাদা নেই বার্মিজ কতৃপক্ষের সামনে
এমনকি বাংলাদেশীদের কাছেও,রোহিঙ্গারা তাদের জীবন বাচাঁনোর জন্য বাংলাদেশে এসেছে
কিন্তু বাংলাদেশেও তারা তাদের জীবন বাচাঁতে পারছেন না বলে জানান একজন
রোহিঙ্গা নেতা।

Leave a Reply