মংডূতে নাসাকা ও পুলিশ এর অভিযানঃগ্রামবাসীদের আটকের চেষ্টা

মংডূ,আরাকান।একদল নাসাকা ও পুলিশ সদস্য সম্প্রতি হাতিপাড়া ও যেদি পিন গ্রামে
গত ৬ মে থেকে অভিযান চালিয়ে রোহিঙাদের গ্রেফতার এর চেষ্টা করছে,তারা বলছে যে
দক্ষিন মংডূ দিয়ে একটি সন্ত্রাসী দল বাংলাদেশ থেকে প্রবেশ করেছে তাই তারা এই অভিযান চালাচ্ছে,
বলে জানান একজন স্কুল শিক্ষক।
“ঐ দিন সকাল ৬টার দিকে একদল নাসাকা সদস্য (১০ জন) মেজর থিন থিত অং ও বাউলি বাজার এর
একটি পুলিশদল হাতি পারা ও যেদি পিন গ্রামে যায় যা ৫ নং নাসাকা এলাকার অর্ন্তভুক্ত,তারা সেখানে
গ্রামবাসীদের আটক এর চেষ্টা চালায় এই অভিযোগে বাংলাদেশ থেকে একটি সন্ত্রাসী দল সেখানে আশ্রয়
নিয়েছে।
এর পরে সমস্ত পুরুষ অধিবাসী আটকের ভয়ে পালিয়ে যায় পাহাড়ে,তবে নাসাকা জাহিদ আলম(৩৫) পিতাঃআব্দুস শুক্কুর,
হাফেজ আনিস উল্লাহ(৩০) পিতাঃকবির আহমেদ নাসাকা গ্রেফতার করে যখন তারা সাইকেলে করে ফেরত আসছিল ,
তাদের নাসাকা ক্যাম্পে আটক করে রাখা হয় বং ১৬৫০০০ ক্যত দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া নাসাকা গ্রামবাসীদের থেকে ১৮ ও এর উপরের সবার লিস্ট দিতে বলে,এছাড়া সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উক্ত গ্রামের সবার
ঘর চেক করে,ঐ আত্নীয় আরো বলেন।
মংডু দক্ষিন ও উত্তর এ আরো অনেক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে,এবং গ্রামবাসীদের জঙ্গলে যেতে মানা করা
হয়েছে।
এটা জানা গিয়েছে যে,কিন্তু মিডিয়া ও বার্মিজ সরকার এর এজেন্ট সরকারকে জানিয়েছে বাংলাদেশে দাঙার ফলে যেখানে
হেফাজতে ইসলাম ও  নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য হতাহত হয়েছে ,একজন গ্রাম প্রধান জানান জুন থেকে দাঙার
ফলে রোহিঙারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এবং রোহিঙা নারীরা ধর্ষিত হচ্ছেন,এছাড়া কারণ ছাড়া আটক,অপহরন,
চাদাবাজ,চলাফেরায় বাঁধা,জমি অধিগ্রহন ও মসজিদ  স্কুল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে,এছাড়া পরিবারের সদস্যরা
খাদ্য সমস্যায় ভুগছেন।
বর্তমানে পুলিশ,নাসাকা ও আর্মি মংডু শহরে মোতায়েন করা হয়েছে,এবং তাদের বিরূদ্ধে নিপীড়ন এর হার বেড়ে গিয়েছে,ফলে গ্রাম
বাসীরা মিথ্যা ও ভুল অভিযোগে নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন ও থিন সেন এর তথাকথিত নির্দেশনায় তাদের অবস্থা আরো খারাপ
হয়ে গিয়েছে।

Leave a Reply