রোহিঙাদের সাথে থাকুন যতক্ষন ধরে সমাধান পাওযা না যায়:দীপু মনি

চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।”আমরা বার্মাতে আমাদের ভাইদের কাছে বার্তা পাঠাতে চায়,এই যে আমরা
তাদের সাথে থাকব ,এবং যতক্ষন এই সমস্যার সমাধান খুজে না পেলে আমাদের তাদের পাশে থাকা
উচিত,ওআইসি গত ১৪ এপ্রিল এক বৈঠক এ এই কথা বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি।

“আমাদের একত্রে কাজ করা উচিত যাতে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় এর কাছে খবর পৌছানো যায়।
আমাদের শক্তির ও নৈতিক শক্তির যথার্থ ব্যবহার করা উচিত,যাতে রোহিঙারা যারা বার্মার সবচেয়ে
নিপীড়িত জনগোষ্ঠী তারা যাতে বার্মার সংস্কার কার্যক্রম এর সুবিধা পায়।”
ঢাকা বার্মিজ কতৃপক্ষকে বাধ্য করে -রোহিঙাদের নাগরিক অধিকার যাতে তারা ফেরত পায়,এবং তারা
যাতে মর্যাদা পায় অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মত।১৫ তারিখ এর পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে এই ঘোষনা দেওয়া হয়।
এছাড়া রোহিঙা শরনার্থীরা যাতে বাংলাদেশ থেকে বার্মাতে সুষ্ঠভাবে প্রত্যাবর্তন করতে পারে এই ব্যাপারে
বাংলাদেশ সরকারের চিন্তার বিষয় যাতে তারা বাংলাদেশ থেকে সুষ্ঠভাবে পৌছাতে পারে বার্মাতে পুনরায়।
বর্তমান বার্মিজ সরকার রোহিঙাদের কোন আইনত বা ঐতিহাসিক সত্যি নেই।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন,মুসলিম ও বৌদ্ধদের মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সংলাপ একান্ত জরুরী।
তিনি আরো বলেন উভয়পক্ষের উগ্রপন্থীদের নিয়ন্ত্রন করা উচিত ও উভয় পক্ষের নেতাদের মাঝে
সংলাপ এ বসা উচিত।
ওআইসির উভয় পক্ষের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা উচিত এবং বার্মার বাইরেও উভয় পক্ষের
মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

ওআইসিতে আমাদের সবাইকে উঠে দাড়াতে হবে যাতে বার্মাতে রোহিঙ্গা ও অন্যান্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের
সমস্যার সমাধান হয়।
ওআইসি বার্মাকে অনুরোধ করেছে যাতে একটি ওআইসি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয় এবং মুসলিমদের বিরূদ্ধে
নিপীড়ন এর ব্যাপারে আলোচনা হোক বলে জানান গত ১৪ এপ্রিল জেদ্দাতে ও আই সি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সংগঠন বার্মিজ
কনটেক্ট গ্রুপ এছাড়া তারা ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করেছে যাতে তারা বার্মাতে একটি তথ্য অনুসন্ধান দল পাঠায়।
এছাড়া ওআইসি মহাসচিব ইহাসান উদ্দিন ইহসানলু উক্ত নিপীড়ন ও অত্যাচারকে অমানবিক বলে উল্লেখ করে রোহিঙাদের
যারা ইউএন এর মধ্যে বিশ্বের সচেয়ে নিপীড়িত জনগোষ্টী ও বার্মিজ সরকারের বিয়োগান্তক অপপ্রচার যেখানে রোহিঙাদের
প্রতি তাদের মনোভাব ফুটে উঠেছে তাকে অকল্পনীয় ও মানার অযোগ্য বলে ঘোষনা করে।
এছাড়া গত বছর রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনকে তারা গনহত্যা বলে অভিহিত করে।

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ দেভাতলু জানান যে,”বার্মিজ সরকার ও তার নিরাপত্তবাহিনী রোহিঙ্গাদের উপর থেকে দৃষ্টি
সরিয়ে নিয়েছে এবং দাঙা নিরসনের কোন চেষ্টা করেন নি।”এছাড়া তিন আরো বলেন,”বার্মিজ সরকার এই সমস্ত ব্যক্তিদের
উপর ব্যবস্থা নেয় ও মুসলিম ও বৌদ্ধদের মাঝে ঘৃনা দূর করতে চেষ্টা করে।
প্রায় এক লাখ ব্যক্তি তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং তারা এখনও তাদের ঘরে আসে নি এছাড়া তিনি আর বলেন তুর্কি যেকোন
সাহায্য করতে আগ্রহী এই ব্যাপারে।

Leave a Reply