মংডূতে মিথ্যা অভিযোগে তিনজন রোহিঙা রাখাল গ্রেফতার

মংডূ,আরাকান।গত ৩০ ডিসেম্বর গরু চরানোর সময় তিনজন রাখালকে দক্ষিন মংডূ
থেকে গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রশিদুল্লাহ(১৭) পিতাঃমো নাজির,রফিক(১৬) পিতাঃইমাম হুসেন,জুবায়ের(২০)
পিতাঃআহমেদ শরীফ,তাদের বাড়ি যথাক্রমে যাও মেতাত গ্রাম ও থাইগন্তান গ্রামে।
ঐ দিন সকালে রাখাইন থাইয়গন্তান গ্রামের রাখাইন নাতালা গ্রামবাসীরা রাখালদের আটক এর চেষ্টা
চালায়েবং কিন্তু তারা পালিয়ে যায় গরু রেখে,কিন্তু পরে আর্মিরা তাদের গ্রেফতার করে ও মংডূ
পুলিশ স্টেশনে হস্তান্তর করে।
কয়েকজন রোহিঙা জানান,আর্মি একজন রোহিঙা তরুনীকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায় তার ছদ্মনাম ফাতেমা
পরে তার চিৎকার শুনে রোহিঙ্গা গ্রামবাসীরা ছুটে যায় ও তাকে উদ্ধার করে ,এই ঘটনা ঘটে ২৯ ডিসেম্বর।
আর্মি এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে নির্বিচারে পরদিন থেকে গ্রেফতার শূরু করে এবং তাদের বিরূদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের
করে তারা একজন রাখাইন তরূনীর ধর্ষনের সাথে জড়িত।
এই খবর শুনে ভুক্তভোগীদের আত্নীয় স্বজন পুলিশ স্টেশনে ছুটে যায় যেখানে পুলিশ তাদের জানায় যে,উক্ত
তরুণরা একটি রাখাইন তরূনীর ধর্ষনের সাথে জড়িত এবং তাদের বুতদং জেলে পাঠানো হয়েছে।
“একজন গ্রাম্য মোড়ল জানান ,”এটি কিভাবে সম্ভব যেখানে অনেকে একসাথে কাজ করছিল মাঠে
সেখানে একজন কে ধর্ষন করা খোলা আকাশের নিচে!”
একজন স্থানীয় নেতা জানান,”রোহিঙ্গাদের জন্য আরাকানের পরিস্থিতি প্রচন্ড খারাপ এবং এই অবস্থায় রোহিঙ্গা
তরূনদের পক্ষে একজন রাখাইন তরূনীকে ধর্ষনের মত অপরাধে লিপ্ত হওয়ার প্রশ্ন আসে না।”
একজন গ্রামের ব্যবসায়ী জানান,”আমরা জেনেছি যে একজন রাখাইন নারীকে আর্মি রাজি করিয়েছে
সাক্ষী দিতে যে এই তরুণরা তাকে ধর্ষন করেছে।
প্রায় ১০০ আর্মি ডেপুটি কমান্ডার মেজর রএ বিন্ত অং এর নেতৃত্বে ৩৫২ ব্যাটেলিয়ন দক্ষিন মংডূতে অবস্থান নিয়েছে
রোহিঙ্গা গ্রামবাসীদের উপর নির্যাতন চালাতে,কিন্তু কতৃপক্ষ বলছে যে দাঙা যাতে আবার না হয় সে জন্য আর্মিকে পাঠানো
হয়েছে ,বলে জানান একজন স্কুল শিক্ষক।উল্লেখ্য এই ব্যাপারে মংডূ পুলিশ এ যোগাযোগ করা হলে সেখানে ফোন ধরা হচ্ছে না।
একজন স্থানীয় যুবক জানান যদি এইভাবে চলতে থাকে তাহলে তারা কিভাবে মংডুতে বাস করবেন।

Leave a Reply