রোহিঙাদের মানবাধিকার ও তাদের নাগরিক অধিকার রক্ষা করুনঃইউ এন

ইউএন সাধারন পরিষদ সম্প্রতি একটি প্রস্তাবনা গ্রহন করেছে যেখানে রোহিঙ্গা মুসলিম্দের অবস্থা উন্নয়ন ও তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের জন্য

বলা হয়েছে।
উক্ত প্রস্তাবনা বার্মিজ সরকার এর গনতন্ত্রায়নকে স্বাগত জানিয়েছে কিন্তু এর পাশাপাশি নিয়মতান্ত্রিকভাবে হত্যা,নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা
জানিয়েছে।
ইউএন সরকারকে বলেছে যাতে তারা আরো দ্রূত বৈষম্য,মানবাধিকার লঙ্ঘন,ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করে,বিশেষ করে রোহিঙা কাচিনদের।
ইউএন পরিষদ একটি প্রস্তাবনা এর মাধ্যমে বার্মাতে পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে কিন্তু মুসলিম ও বৌদ্ধদের মধ্যে দাঙার কারণে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ
করেছে।
ইইউ এর স্পন্সরকৃত এই প্রস্তাবনার প্রতি সকল এ সর্মথন জানায়।
ইইউ বৈদৈশিক পলিসি প্রধান ক্যাথারিন এশটন এই মাসের শুরুতে জানান যে, মানবাধিকার কমিটির থেকে দেওয়া এই প্রস্তাবনায় তিনি সন্তুষ্ট এবং
বার্মা সরকার এর ইইউএর সাথে সহযোগীতার হাত বাড়ানোকে তিনি স্বাগত জানান।
ইউএন মানবাধিকার প্রধান ভ্যালেরি আমোস জানান ৬ মাস ধরে ইউএন আরাকান রাজ্যে বাস্তুহারাদের কোন সাহায্য প্রদান করতে পারছে না,এবং
রোহিঙ্গা খুব কষ্টের সাথে বাস করছে।
পশ্চিম আরাকানে রোহিঙ্গাদের কোন নাগরিক অধিকার নেই এবং বার্মিজ সরকার এই অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছু করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে
যদীঅ আর্ন্ত্জাতিক সম্প্র্দায় তাদের চাপ দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার প্রদান কর্তে।
বার্মার স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৪৮ সাল থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমরা অত্যাচার,নিপীড়ন সহ্য করে আসছে,বৌদ্ধ মৌলবাদীরা প্রায় সময় রোহিঙাদের উপর
হামলা চালায় এবং একশ এর বেশী মানুষ মারা গিয়েছে ও আরো হাজার জনের বেশী মানুষ ঘর হারিয়েছে,এছাড়া মুসলিমরা পালাতে বাধ্য হয়েছে,
বার্মিজ সরকার মুসলিমদের  নিরাপত্তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।
রোহিঙারা পার্সি,তুর্কি,বাঙালী ও পাঠান বংশ্দোভুত  যারা অষ্টম শতাব্দীতে বার্মাতে পাড়ী জমায়।
এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ পৃথক পৃথক প্রেস রিলিজ প্রদান করেছে এই বিষয়ে যাতে রোহিঙাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়।

Leave a Reply