কতৃপক্ষ নাগরিকত্ব ফর্মে রোহিঙাদের বাঙালী লিখতে নতুন নতুন উপায় অবলম্বন করেছে

মংডূ,আরাকান।অনুসন্ধান কমিটি যেখানের অধিকাংশ সদস্য নাসাকা,পুলিশ,ইমিগ্রেশন ও রাখাইন নেতারা

রোহিঙা ইমাম ও গ্রাম প্রশাসকদের মিউমা ক্যাংদান গ্রাম থেকে মসজিদ খোলার ব্যাপারে আলোচনার জন্য ডেকে
পাঠায়,যেখানে তারা তাদের স্বাক্ষর নেয়।
“রোহিঙা ও ইমাম ও গ্রাম প্রশাসকরা পরে বুঝতে পারে,কতৃপক্ষ জাতীয়তা উল্লেখ এর ফর্ম পূরনের জন্য
উক্ত স্বাক্ষর নিয়েছে।”
একই ভাবে নাসাকা এর তিন নং এরিয়ার সদস্য রোহিঙ্গা ইমাম ও গ্রাম প্রশাসক দের ডেকে পাঠায়,এবং
তাদের থেকে স্বাক্ষর নেয়।”
“প্রথমে নাসাকা ক্যাম্পে ইমামদের ডেকে পাঠানো হয় এই বলে যে,তারা পুনরায় মসজিদ খোলা নিয়ে আলোচনা
করবে,কিন্তু সেখানে তারা তাদের বলে যে রোহিঙা সম্প্রদায় যাতে বাঙালী ব্যবহার করে রোহিঙার জায়গায়।”
উক্ত অনুসন্ধান দল রোহিঙা ইমাম ও গ্রাম প্রশাসকদের বায়ো ডাটা ও পরে তাদের বাঙালী হিসেবে স্বাক্ষর
করতে বাধ্য করে,কিন্তু ইমামরা বাঙালী হিসেবে বিক্রি করতে রাজী হয় নি,এবং বলে যে তাদের পূর্বপুরুষ
রোহিঙা ও তারা আরাকানে মৃত্যুবরন করবে।
সে মূহুর্তে নাসাকা ও পুলিশ কিছু ইমামদের আটক করে ও তাদের মারধোর করে মুখে প্লাস্টার দিয়ে রাখে।
এর পর অন্য ইমামরা জায়গা ছেড়ে চলে যায়,পরে তারা জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেয়,উল্লেখ্য ছবির জন্য তারা ক্যত
৩০০০ ,২০০০ করে আদায় করে।
আজকে নাসাকা বাউলি বাজার ও নাগাকুরা এর ইমামদের ডেকে পাঠায় কিন্তু তারা নাসাকা ক্যাম্পে যায় নি
বলে জানান একজন গ্রামবাসী।
গতকালা নাসাকা কিলাইদং গ্রামে ফর্ম প্রদান করে গ্রামবাসীদের পূরনের জন্য এবং আজ নাসাকারা তা সংগ্রহ করে,
সব গ্রামবাসী ফর্মে রোহিঙা মুসলিম লিখেছিল,কিন্তু কতৃপক্ষ তাদের বিরূদ্ধে কোন অভিযোগ দায়ের করে নি।
বিশ্ব সম্প্রদায় ইউএসএ,ইইউ ও আসিয়ান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সামনে এসে বার্মিজ সরকারের রোহিঙাদের বিরূদ্ধে
নির্যাতন বন্ধের ব্যাপারে সোচ্চার হওয়া উচিত।

Leave a Reply