দক্ষিন মংডূতে রাখাইনরা রোহিঙ্গা গ্রামে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে

মংডু,আরাকান।কান বি নাতালা গ্রামের একদল রাখাইন বার্মিজ সীমান্ত রক্ষীর সাথে মিলিত হয়ে যায় মাতেত গ্রামের হোরসারা

গ্রামে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে জানান একজন গ্রাম্য মোড়ল।
হোরসারা গ্রাম মংডু-আলি থান ক মহাসড়ক ও নাতালা গ্রাম ও নাসাকা ৭ নং এরিয়ার নিকটবর্তী>নাসাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে যারা এখানে বাস করেন
ও এই রাস্তা ব্যবহার করেন তাদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে।এই নাসাকা বাহিনীর পাশাপাশি নতুন নাতালা গ্রামবাসীরাও
তাদের সাথে দূর্ব্যবহার করে।
“৫৮টি ঘর উক্ত গ্রামে ছিল এবং নাসাকারা আগুন ধরিয়ে দিয়ে তাদের গ্রাম থেকে বের করে দেয়,এবং রাত আটটার দিকে রাখাইনরা খবর শূনার
পরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত খবরে ইউএস প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রোহিঙাদের কথা তুলে ধরেন যার ফলে রাখাইনরা রেগে গিয়ে গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেয়,কিন্তু নিরাপত্তা
বাহিনী আগুন নিভাতে কোন সাহায্য করে নি,যখন রোহিঙারা আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিল।
অনেকদিন ধরে এই রাষ্টের জন গন ,রাখাইনরা ও অন্যান্যরা দারিদ্রতা ও নিপীড়নের স্বীকার হচ্ছে,কিন্তু কোন অজুহাত দিয়ে নিরীহ মানূষের উপর
অত্যাচার করা যাবে না।”বলে জানান ইয়াঙ্গুন ইউনিভার্সিটিতে এক বক্তব্যে।
“রোহিঙারা একই মর্যাদার অধিকারী যেরকম আপনারা এবং আমি-জাতীয় ঐক্যমত আস্তে সময় লাগবে কিন্তু সাধারন মানবতার খাতিরে ও দেশের
ভবিষ্যতের জন্য এই দাঙা বন্ধ করা জরুরী।
থিন সেন ইউ এন মহাসচিব বান কি মুনকে গত সপ্তাহে এই সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করবেন বলে জানান এবং ওবামা এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে
বলেন,”সরকার এর এই অবিচার বন্ধ,গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি ও নাগরিক অধিকার প্রদানের প্রতি স্বাগত জানান।
রেডিওতে উক্ত খবর প্রকাশের পরে রাখাইনরা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ও রোহিঙা গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানান একজন ছাত্র।
“বার্মিজ রাষ্ট্রপতি যিনি পূর্বে ইউএনকে বলেন যে রোহিঙ্গাদের জন্য ৩য় বিশ্বে ঘর খোঁজা উচিত,তিনি গত সপ্তাহে ১৬ নভেম্বর এই দাঙার
জন্য মৌলবাদীদের দায়ী করেন,এবং যর্থার্থ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।প্রেসিডেন্ট এর রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি স্থির না এবং আর্ন্তজাতিক
চাপ এর পর আরাকান এর সর্বত্র নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।কিন্তু রোহিঙাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।”
রোহিঙা গ্রামবাসীরা এখন ঘরবাড়ী হীন এবং মংডু কতৃপক্ষ তাদেরকে চিহ্নিত করছে না এবং তারা নাসাকাদের কারণে তাদের গ্রামে যেতে পারছেন না।
ইউএন সদস্যরা এদের কোন সাহায্য করতে পারছেন না।মংডূর একজন এনজিও স্টাফ জানান রোহিঙ্গা অনেকে মংডুতে আছেন কিন্তু তারা কোন এনজিও থেকে
সাহায্য পাচ্ছেন না।

Leave a Reply