মংডুতে জোরপূর্বক অর্থ আদায় এর হার বেড়েছে

মংডু,আরাকান।উত্তর মংডুর একজন রোহিঙা মোড়ল জানান,মংডুতে নাসাকা রোহিঙ্গাদের থেকে

যে অর্থ আদায় করছে তা দিন দিন আর ও দূর্বিষহ হয়ে পড়ছে।

৬ নভেম্বর একদল নাসাকা সদস্য অন মিং গালা নাসা আউটপোস্ট থেকে মং নামা গ্রামে এ গিয়ে
অনেক গ্রামবাসীদের আটক করে এবং মুক্তির জন্য তাদের থেকে অর্থ খুঁজেছে।”
“উক্ত দিন নাসাকা কালামিয়ার পুত্র জামাল(৩০) বাড়ীঃমং নামা গি,সায়েদুল্লাহ(৪৫),আব্দুস সালাম এর পুত্র
যার বাড়ী মির জির তওলা গ্রামে,জাফরের স্ত্রী মিসেস আমিনা খাতুন(৫০) বাড়ীঃমং নামা গ্রামে,লালা মিয়া এর
স্ত্রী মিসেস বিলকিস(৪),মোহাম্মদ সিদ্দিক এর পুত্র আবুল(৬০),হাবিব এর পুত্র আবু সিদ্দিক(৩০) যার বাড়ী একই
গ্রামে।
উক্ত আটককৃতদের থেকে নাসাকা প্রায় ২ মিলিয়ন ক্যত আদায় করে এবং তাদেরকে পুলিশ আটক করে কারণ
তাদের আত্নীয় স্বজনরা বাইরে থাকে,নাসাকা এই লিস্ট তাদের গ্রামের সহযোগীদের কাছ থেকে আদায় করেছে
বলে জানান নাসাকার একজন প্রাক্তন সহযোগী।
তাদের মধ্যে আবু সিদ্দিক একজন ছোট দোকানদার যার রাস্তার ধারে একটি দোকান আছে,নাসাকা সদস্যরা তার
দোকান লুট করে এবং প্রায় ১০০০০ টাকা ক্যাশ ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এছাড়া মং নামা গ্রামে ৬টি সেন্ট্রি পোস্ট আছে যেখানে প্রতিটিতে ৫ জন করে গ্রামবাসী পাহারাদার হিসেবে আছেন,
নাসাকা তাদের সবাইকে আটক করে ৫০০০ থেকে ৬০০০ ক্যত করে আদায় করেছে এই অভিযোগে তারা ঘুমাচ্ছিল কিন্তু
এই অভিযোগ সত্য নয় ,নাসাকা অর্থ আদায়ের জন্য এরকম করছে।
উল্লেখ্য সম্প্রতি নাসাকার এই অং মিং গালা এর কমান্ডার অন্য ক্যাম্পে ট্রান্সফার হয়েছেন এবং তার জায়গায় নতুন কমান্ডার
এসেছেন,প্রাক্তন কমান্ডার যাওয়ার এখানে রোহিঙাদের থেকে বিপুল অর্থ আদায় করেছে।
একজন স্থানীয় শিক্ষক জানান,”রোহিঙ্গারা নাসাকার অর্থ আদায়ের প্রধান মাধ্যমে পরিনত হয়েছে।”

Leave a Reply