সমুদ্রে আরো মৃতদেহ ভাসছে

চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।একজন জেলে যিনি মাছ ধরতে সাগরে যান তিনি বলেন বঙোপসাগরে
প্রায় ৩০টির মত মৃতদেহ ভাসছে।
“আমরা ৩০টির মত মৃতদেহ পেয়েছে যা ভাসছে সমুদ্রে এবং মনে হয় এটি রোহিঙ্গা শরনার্থীদের
মৃতদেহ যারা আরাকান থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল অথবা বোটের যাত্রী যা ডূবে গিয়েছিল
এবং কাউকে বাঁচানো যায় নি।”
আমরা কতৃপক্ষকে জানিয়েছি এই ব্যাপারে এবং মংডুতেও খবর দিয়েছে যাতে মৃতদেহ
গুলো উদ্ধার করে কবর দেওয়া হয় কিন্তু এখন কেউ তা উদ্ধার করতে আসে নি।”
“আমরা বাংলাদেশ সরকার থেকে অনুমতি খুজছি যাতে তাদের কবর দিতে পারি।”
কিন্তু প্প্রতিদিন মাছ ধরতে অনেক বোট বের হয় এবং আমরা মাঝিদের বলেছি যাতে তারা
আমাদের অভিহিত করে যখন এরকম কিছু চোখে পড়ে।”বলে জানান বাংলাদেশ
কোস্ট গার্ড এর লেফটেনেন্ট বদরুদ্দৌজা।
হারানো যাত্রীদের পরিবার ও মৃতদেহের খোঁজ করছে।
কালাম নামের একজন মাঝি জানান,”যদি এই মৃতদেহগুলো কোন ডুবে যাওয়া বোটের হয় তবে এদের কিছু
সংখ্যক রোহিঙ্গা ও বাকিরা বাংলাদেশী হবে,যার সংখ্যা ৪০ এর মত হবে।”
আর যদি এটা রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসা বোটের হয় তবে হয়ত খাদ্য সমস্যার কারণে তা হতে পারে,কারণ
তাদের নামতে দেওয়া হয় নি বাংলাদেশ বা বার্মার উপকূলে এবং খেতে না পেয়ে তারা মারা গিয়েছে।
রোহিঙারা যারা আরাকানের মধ্য অংশ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে তারা বার্মিজ বা বাংলাদেশ সরকার থেকে
তীরে নামার অনুমতি পায় নি এবং প্রায় ৩৫টি বোট আকিয়াবের তীরে রয়েছে এবং আরো ৪০টি বোট সেন্ট
মার্টিন এর উপকূলে আটকা পড়েছে।
দক্ষিন মংডূতে ৪টি বোট নামতে চাইলেও বার্মিজ সরকার তাদের নামার অনুমতি দেয় নি,ইউএনএইচসিয়ার
তাদের জন্য ক্যাম্প তৈরীর চেষ্টা করছে বলে জানান মংডুর একজন রাজনীতিবিদ।
ইরেওয়েদ্দি সংবাদ পত্র জানিয়েছে যে,মিন বা এর মুসলিম নেতা অস্বীকার করেছে যে তারা এই দাঙার সূচনা করেছে
এবং তাদের ফাসানো হয়েছে।
সরকার বলেছে যে প্রায় ২৮০০০ মানুষ ইতিমধ্যে ঘর হারিয়েছেন যা ২১ অক্টোবর শুরু হয়েছে,এবং ২৯৫০টি ঘর,১৪টি
ধর্মীয় উপসনালয় ও আটটি চাল কল মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।৮৮ জন মারা গিয়েছে এবং আরো ১২৯ জন
হাসপাতালে গিয়েছে যা প্রায় ৯টি উপশহর ব্যাপী বিস্তৃত ছিল।
ইউএইচসিআর বলেছে হয়ত হুতাহত ও ঘর হারানো ব্যক্তিদের সংখ্যা আরো বেশী,কারণ কারা কতজন পালিয়েছে তা জানা যায় নি।
ভিভিয়ান তেন যিনি ব্যাংকক ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র তিনি বলেন,”আমরা মনে করি আরো বেশী মানুষ বাস্তুহারা হয়েছেন
কারণ অনেকে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে গিয়েছেন কিন্তু ঠিক কত জন তা জানা যায় নি।এছাড়া আরো ৬০০০ জন জেলে নৌকার মধ্য ভাসছেন
কারণ তারা কোথাও নামার অনুমতি পাচ্ছেন না।”

Leave a Reply