আরাকান রাজ্য নতুনভাবে শুরু হওয়া সহিংসতায় ৩৬০ জন মৃত ও ৩৫০০ ঘর ধব্বংস।।

আকিয়াবা,আরাকান।আকিয়াবের একজন আইনজীবি জানান,গত ২১ অক্টোবর শুরু হওয়া
নতুনভাবে সহিংসতায় ৩৬০ জন মারা গিয়েছেন ও ৩৫০০ এর বেশী ঘরবাড়ি ধব্বংস করা
হয়েছে।

"আমরা খবর পাচ্ছি যে,দিন দিন মৃতের সংখ্যা বাড়ছে,যদিও আরাকান সরকার বলছে যে
৫৬ জন মৃত ও ২০০০ ঘর ধব্বংস করা হয়েছে।"
"প্রায় ২০০ জন রোহিঙা মৃতদেহকে গন কবর দিয়েছে মারুক ইউ এর মুসলিমরা কারণ তারা
আলাদা করে কবর দিতে পারেন নি,এবং রাখাইনরা তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় হত্যা
করতে চেয়েছিল।"
আজ বিকেলে ৩টার দিকে,রাখাইনরা মুড়াপাড়া তংব্রু গ্রামে ৮০টি রোহিঙাদের ঘর পুড়িয়ে দেয় এবং এতে 
২ জন রোহিঙা মারা যায় বলে জানায় ক্যক্তো এর সুত্র।
"শহরের নিরাপত্তায় থাকা মিলিটারী রাখাইনদের থেকে ১২টি অস্ত্র গ্রেফতার করেছে যা দিয়ে তারা রোহিঙ্গা
গ্রামে হামলা চালায় কিন্তু রাখাইনদের বিরূদ্ধে কোন ব্যবস্থা  নেওয়া হয় নাই।"
এছাড়া,সুত্র আরো জানায়,৮টি বোটে রাখাইনরা কালাদান নদী দিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে মিলিটারী তাদের
ধাওয়া ক্রে,মিলিটারী অস্ত্র,ছুরি,তীর,তেল চারটি নৌকা থেকে নিয়ে নেয় কিন্তু তাদের ছেড়ে দেয়।"
এই রাখাইনরা তং পক এর বুড্ডিস্ট আশ্রমে আশ্রয় নিচ্ছিল।
এছাড়া ক্যক প্রু ও মিনবা থেকে গতকাল ৫০টির বেশী নৌকা নিয়ে রোহিঙা অধিবাসীরা পালিয়ে যেতে শুরু করে
তাদের প্রান বাঁচানোর জন্য কিন্তু তাদের অবস্থা জানা যায় নি,কিছু সুত্র বলছে যে বার্মিজ নেভী কিছু নৌকা আটক
করেছে।
বাংলাদেশ তাদের সীমান্তে নিরাপত্তা  জোরদার করেছে যখন তারা খবর  পায় যে, রোহিঙারা  মিন বা ও ক্যক
প্রু  থেকে দশটি নৌকা নিয়ে সহিংসতা এড়ানোর জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছে।"
বিজিবি কমান্ডার কর্নেল জাহিদ হাসান,"আমরা আমাদের নিরাপত্তা জোরদার করেছি যাতে
তারা আমাদের সীমান্তে প্রবেশ  করতে না পেরে।"
নিরাপত্তা বাহিনী রতিদং এ রোহিঙা অধ্যুষিত এলাকায়গুলি চালিয়েছে এবং দশটি বাড়ি
পুড়িয়ে দিয়েছে বলে রয়টার্স এর খবরে জানা যায়।
ইউএন নতুন সহিংসতার জন্য সবাইকে শান্ত থাকতে বলেছে।
ইউএন জাতিগত দাঙায় অনেক  চিন্তা প্রকাশ করেছে কারণ এতে অনেকে মারা গিয়েছে এবং
এক হাজার এর এর বেশী মানুষ ,নারী ও শিশূরা পালিয়ে গিয়েছে বলে জানান অশোক নিগাম,
ইউ এন  এর বার্মা কো-অর্ডিনেটর  অশোক নিগাম  ।
উক্ত বক্তব্যে  আরো বলা হয় অনেক মানুষ পালিয়ে যাচ্ছে এওং শরনার্থী ক্যাম্প গুলোতে
এখন ৭৫০০০ এর বেশী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
উক্ত বক্তব্য আরো বলে,"শরনার্থী সমস্যা সমাধান এর জন্য দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খোঁজা জরুরী।"
কিছু কিছু এলাকায়  সরকার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান না খোজার ফলে দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে পরিস্থিতির
উন্নয়ন ঘটে নি।











 














Leave a Reply