মংডুতে রোহিঙ্গাদের থেকে গবাদিপশূ চুরি

মংডূ,আরাকান।নতুন গ্রামবাসী রাখাইন যারা নাতালা নামে পরিচিত তারা রোহিঙ্গাদের গবাদিপশু চুরি করছে গত জুন এর দাঙার পর থেকে,ফলে রোহিঙ্গারা
গবাদিপশূ হীন হয়ে পড়েছে।
“নিরাপত্তাবাহিনী তাদের সাহায্য করছে রোহিঙ্গাদের গবাদিপশু চুরি করতে”, মন্তব্য করেন একজন গ্রামবাসী।

গত ১৪ অক্টোবর নাতালা গ্রামবাসীরা সন্ধ্যায় ৪টি গরু নিয়ে যায়,উক্ত গরুগুলো হামিদ হুসেন এর বলে জানা যায়,যিনি আলি থান ক এর কজা বিল গ্রামের বাসিন্দা।
“হামিদ স্থানীয় নাসাকা দপ্তরে এই ব্যাপারে অভিযোগ করলে উক্ত অফিসার তার কিছুর করার নেই বলে জানান এবং অপেক্ষা করতে বলেন পরে এই এটি তদন্ত করা হবে বলে।”
জানান হামিদ এর কজন আত্নীয়।
এছাড়া আর্মি যারা দক্ষিন মংডুর নিরাপত্তার দ্বায়িত্বে আছেন তারা নাতালা গ্রামবাসীদের সাহায্যে রোহিঙ্গাদের ৫০টি গরু চুরি করে এবং তারা গবাদিপশু মালিকদের এই ব্যপারে
কিছু বলেনি,এমন সময় এ আর্মি এই সমস্ত গরু নিয়ে যাচ্ছে যখন গ্রামবাসীরা প্রকট খাদ্য সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে এবং তাদের চলাফেরার বাধার কারণে কোন কাজ করতে পারছেন না।”
আর্মি এছাড়া গরু,ছাগল,ফুল(ছোলা) রোহীঙ্গাদের থেকে নিয়ে যাচ্ছে ও মাঝে মাঝে গুলি করে রোহিঙাদের পশু নিয়ে যায়।
দক্ষিন মংডূতে আর্মি পাঠানো হয়েছিল এই জন্য যাতে তারা রোহিঙ্গাদের বিরূদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে,জানান একজন স্থানীয় নেতা,কারণ উর্ধতন কতৃপক্ষ নাসাকা ,লুন্ঠিন ও পুলিশ
এর কাজে খুশী ছিল না।”
৮ জুন দাঙার পর যখন আর্মি মোতায়েন করা হয়,তখন গ্রামবাসীরা তাদের স্বাগত জানান কারণ তারা আশা করেছিল হয়ত তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে আর্মি।কিন্তু তারা বরং নাসাকার
চেয়ে আরো খারাপ আচরন করেছে রোহিঙ্গাদে সাথে।
আর্মি নুরুল্লাহ পাড়াতে এসে সকল নারী শিশূ সহ সবাইকে আটক করে তাদের উপর নির্যাতন চালায় এবং তাদের থেকে স্বর্ন ,অর্থ ও মালামাল লুট করে।
আর্মি দক্ষিন মংডূতে রোহিঙাদের নানাবিধভাবে হয়রানি করছে-বিশেষ করে তাদের আটক,নির্যাতন,হত্যা,ধর্ষন ও ডাকাতির এর মত কাজ ও করছে,এসব কাজে প্রায় সময়
তারা পুলিশ ও রাখাইনদের সাহায্য নিচ্ছে,গুডসারা,হরসারা,বাগগনা আলি তান ক ও নুরুল্লা পাড়া হচ্ছে সবচেয়ে ভুক্তভোগী।
প্রায় প্রতিদিন নাতালা গ্রামবাসীরা আর্মির সাহায্যে গ্রামবাসীদের নির্যাতন করছে ও তাদের গবাদিপশু ও অন্যান্য জিনিস লুট করছে বলে জানায় সুত্র।
সুত্র আরো জানায় এটি এখন অনেক ঝামেলা গ্রামবাসীদের জন্য এক জায়গা হতে অন্য জায়গাতে যাওয়া।

Leave a Reply