দক্ষিন মংডুতে আরো রোহিঙ্গা আটক

মংডূ আরাকান।গত ১৩ অক্টোবর বার্মিজ নিরাপত্তা বাহিনী নাসাকা রোহিঙ্গাদের আটক করেছে এই অভিযোগে যে গত জুন এর দাঙায় রোহিঙ্গারা জড়িত ছিল,
একজন স্থানীয় বলেন,”একদল নাসাকা গত ১৩ অক্টোবর ৮ নং এলাকার বারসারা গ্রামে গিয়ে দুইজন গ্রামবাসী মোহাম্মদ জলিল (৪৫) ,পিতাঃআব্দুল্লাহ ও
জাকারিয়া(৫০),পিতা নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে যখন তারা ঘুমাচ্ছিল।”

আটকের পত মোহাম্মদ জলিলকে নাসাকা মারধোর করে কোন কারণ ছাড়াই এবং প্রায় ১০০০০ ক্যত অর্থ নেবার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়,কিন্তু জাকারিয়াকে
নাসাকা আটক করে রেখেছে কারণ তিনি নাসাকার চাহিদামত অর্থ দিয়ে পারেন নি।
এছাড়া গত ১১ অক্টোবর নাসাকা দুইজন গ্রামবাসী -সৈয়দ আলম(৩০),পিতাঃসিরাজুল,পির আহমেদ(৩২) পিতাঃজালাল,যারা দুইজনই মিন্ত লুট গ্রামের বাসিন্দা
তাদের গ্রেফতার করে নির্যাতন চালায়।
এছাড়া উদং গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র রশীদুল্লাহকে নাসাকা গত ১৪ অক্টোবর গ্রেফতার করেছে।
“উল্লেখ্য উক্ত তিন রোহিঙ্গা-সৈয়দ আলম,পির আহমেদ ও রশীদুল্লাহকে নাসাকা ক্যাম্পে আটক করে রাখা হয়েছে কারণ তারা অর্থ দিতে পারছেন না
এবং তাদের বিরূদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তারা দাঙায় জড়িত।”
বর্তমানে নাসাকা কর্মকর্তারা গ্রাম প্রশাসক রাখাইন উ থিন মং এর সাথে মিলিত হয়ে গ্রাম বাসীদের থেকে অর্থ আদায় করছে ও তাদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে।
নাসাকা ও আর্মি প্রায় প্রতিদিন রোহিঙা গ্রামগুলোতে গিয়ে সেখানে গ্রামবাসীদের ঘরে লূটতারাজ চালায় ও নিরীহ গ্রামবাসীদের আটক করে,তাদের সাথে দোসর
হিসেবে থাকে নাতালা গ্রামবাসীরা,এছাড়া সুযোগ পেলে এই আর্মি ও নাসাকা সদস্যরা রোহিঙ্গা নারী ও তরুণীদের ধর্ষন করে,এবং জুন থেকে রোহিঙারা ঘরে
আটক হয়ে বসে আছে ও তাদের কোন চিকিৎসা সেবা ও নেই,এই ব্যাপারে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় কেন চুপ এখনো প্রশ্ন করেন স্থানীয় একজন।

Leave a Reply