আর্মি দক্ষিন মংডূতে গ্রামবাসীদের আটক করেছে

মংডূ,আরাকান।আর্মি দক্ষিন মংডুতে কোন কারণ ছাড়া গ্রামবাসীদের আটক করছে বলে জানান একজন নিকটাত্নীয়,যিনি তার নাম
প্রকাশে অপারগতা প্রকাশ করেন।
“আটককৃতরা হলেন নুর আহমেদ(৪৫),পিতাঃজাবুর মুলুক,মোহাম্মদ হুসেন(৩৬) পিতা দুদু মিয়া,কালু(৫৫),পিতা মিয়া হোসেন ও সোনা
মিয়া(৩৩) পিতা আব্দুল জলিল,তারা সবাই দক্ষিন মংডূর থেরাই কোণদান গ্রামের বাসিন্দা।
এছাড়া আর্মি গ্রামবাসীদের মূল্যবান সম্পত্তি লুট করছে এবং তাদের গরু,অর্থ ও স্বর্ন লূট করে নিয়ে যাচ্ছে,আর্মি দক্ষিন মংডুর গ্রামগুলোতে
এই কাজ করছে।
“রোহিঙ্গা গ্রামবাসীদের নাতালা গ্রামবাসীদের সহায়তায় গ্রেফতার করা হচ্ছে,এরপর তাদেরকে অনেক মারধোর করা হচ্ছে এবং তাদের মংডূ
শহরে নিয়ে পুলিশ এর হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে,এছাড়া আটককৃতদের একজন এর মোটর বাইক ও নিয়ে নিয়েছে তারা।
দক্ষিন মংডূতে সম্প্রতি কিছু মিলিটারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক দাঙার পর,যদিও নাসাকা ও পুলিশ বাহিণী
অবস্থান করছে।
রোহিঙ্গা গ্রামবাসীরা বিশ্বাস করে যে আর্মি তাদের নিরাপত্তা প্রদান করবে পুলিশ নাসাকা ও স্থানীয় রাখাইন গ্রামবাসীদের থেকে,এবং শুরুতে আর্মি রোহিঙ্গাদের
কিছু নিরাপত্তা প্রদান করেছিল ও কিন্তু পরে রক্ষক ভক্ষক হয়ে দাড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের প্রতি।প্রেসিডেন্ট থেন সিন বলেছেন যে,সরকার আর্মি
পাঠিয়েছে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনের জন্য কিন্তু এটি সত্য না,কারণ পরিস্থিতি এখনও আগের মত থেকে গিয়েছে।
এখন প্রায় প্রতিদিন আর্মি স্থানীয় রাখাইন গ্রামবাসীদের সাথে মিলে রোহিঙা গ্রামসমূহতে নির্যাতন চালায় ও রোহিঙা নারী ও মেয়েদের ধর্ষন করে
বিশেষ করে রাতে আর্মি গ্রাম এ যায়,কারণ তখন আটক না হবার জন্য গ্রামের পুরুষেরা পালিয়ে থাকে ও এই সুযোগে আর্মি ও রাখাইনরা রোহিঙা
নারীদের ধর্ষন করে,এটি রোহিঙ্গা গ্রামসমূহতে প্রায় ঘটে বলে জানান একজন স্থানীয়।
এছাড়া মংডূ শহরে রাতে পুলিশ আটক করার নামে প্রবেশ করে নারীদের ধর্ষন করে বলে জানান একজন বৃদ্ধা,উল্লেখ্য তখন পুরুষরা ভয়ে
বাড়িতে থাকেন না।
উল্লেখ্য আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ও রোহিঙ্গাদের কারণ ছাড়া গ্রেফতার নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে রোহিঙ্গারা আর ঘরে থাকতে চাচ্ছেন না
ও ঘর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
গত ৯ অক্টোবর পুলিশ এক নং ওয়ার্ডের চারটি ঘরে গিয়ে পরিবারের লিস্ট কবজা করে ও পরের দিন নারীদের তা তাদের অফিস থেকে নিয়ে যেতে বলে।
রোহিঙা নারী ও মেয়েদের উপর এই ধর্ষন ও নিপীড়নের ব্যাপারে কোন সিদ্বান্ত না নেওয়া হয় তাহলে পরিস্থিতি ও আরো ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে এবং
ভবিষ্যতে এটি বেড়ে যাবে।
যদি মংডু ও রতিদং এর গ্রামবাসীরা কোন সাহায্য না পায় তবে তাদের বেচে থাকার আর কোন উপায় থাকবে না এবং তারা হয়ত বাধ্য হয়ে কঠোর অবস্থান
নিবে।

Leave a Reply