স্থানীয়রা রোহিঙ্গাদের থেকে অর্থ আদায় করছে

টেকনাফ,বাংলাদেশ।স্থানীয় যুবকরা রোহিঙ্গাদের থেকে অর্থ আদায় করছে ,উল্লেখ্য কক্সবাজারে সীমান্ত এলাকায়
কারফিউ জারির পর থেকে স্থানীয়রা রোহিঙ্গাদের থেকে অর্থ আদায় করছে।

“স্থানীয় তরুণরা কুতুপালং এর নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শরনার্থীদের থেকে ৩০টাকা করে আদায় করছে,অনিবন্ধিত
শরনার্থীরা কুতুপালং ক্যাম্পের পাশে বসবাস করেন।”
সুত্র জানায়,অধিকাংশ অনিবন্ধিত শরনার্থী বনে গিয়ে কাঠ কাটে,কারণ তাদের পরিবারকে চালানোর জন্য অন্য
কোন উপায় তাদের জানা নেই,উক্ত কাঠ বাজারে বিক্রি করে তারা জীবিকা নির্বাহ করে।
উল্লেখ্য,অনিবন্ধিত শরনার্থীরা কুতুপালং ক্যাম্পে বাস করছে দীর্ঘদিন ধরে এবং ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ
সরকার তাদের কোন সাহায্য দিচ্ছে না।
গত ৬ অক্টোবর কিছু নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শরনার্থী স্থানীয়দের অর্থ না দিয়ে কাঠ কাটতে যায়,এবং স্থানীয় এ
সন্ত্রাসী নেতা শাহজাহান এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাদের মারধোর করে ।
১০০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়ার পর রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মুক্তি দেওয়া হয়,এবং যারা অর্থ দিতে পারেননি তাদের
মারধোর করা হয়,পরে রাত আটটার দিকে মারধোর এর পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া একজন রোহিঙ্গা রিকশা চালক জানান,কারফিউ জারির কারণে তিনি ক্যাম্পের বাইরে কাজ করতে পারছেন না এবং তার পরিবারের সদস্যরা এজন্য খাদ্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
উক্ত রিকশা চালক আরো জানান অনেক রোহিঙা শরনার্থী ক্যাম্পে জীবন যাপন করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন,
সরকার এই কথা বলছে রামু ঘটনায় রোহিঙাদের হাত আছে।
একজন শরনার্থী নেতা জানান কালাদান প্রেসকে,”তিনি বিশ্বাস করেন না রোহিঙ্গারা এর সাথে জড়িত,এটি কেবল সরকার ও কিছু বুদ্ধ নেতার মনগড়া।
শরনার্থী নেতা আরো জানান,রোহিঙ্গাদের আরাকানে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই,এবং অনেক রোহিঙ্গা মুসলিম
বার্মিজ সরকার ও রাখাইন গুন্ডাদের হাতে মারা গিয়েছেন,এছাড়া বাংলাদেশের সরকার ও বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এই অভিযোগ করছে রোহিঙ্গারা রামু দাঙায় জড়িত।

Leave a Reply