British ambassador still in Maungdaw

Maungdaw, Arakan State:  British ambassadors Mr. Andrew Heyn accompanied by two others are still going to their fact finding  program  in Maungdaw Township  to see real struggle and situation in detail of  Rohingya  in  northern Arakan. They arrived at Maungdaw on October 3, said a local leader on condition of anonymity.
Continue reading “British ambassador still in Maungdaw”

Rakhines attack bride-party vehicle in Maungdaw south

Maungdaw, Arakan State: A group of Rakhine youths accompanied by army personnel attacked and looted a bride-party vehicle while it was on Maungdaw-Aley Than Kyaw Highway of Maungdaw Township October 4, said a local villager.
Continue reading “Rakhines attack bride-party vehicle in Maungdaw south”

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এখনও মংডুতে

মংডু,আরাকান।ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত মিঃ এন্ড্রু হেইন ও তার দুই সহযোগী এখনও মংডূতে অবস্থান করছেন ও তাদের
অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছেন,তারা উত্তর আরাকানে মংডুতে রোহিঙ্গাদের সমস্যা ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।তার গত ৩ অক্টোবর Continue reading “ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এখনও মংডুতে”

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের মংডূতে আগমন

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের মংডূতে আগমন মংডূ,আরাকান।ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতএন্ড্রু হেইন তার আরো দুজন সহযোগী নিয়ে গত ৩ অক্টোবর মংডুতে পৌঁছেন। তার সাথে আরো দুজন ছিল,যাদের মধ্যে একজন বার্মিজ ও আরেকজন মুসলিম ছিলেন,তারা ইয়াঙুন থেকে মংডূ আসেন ও মংডূ শহরের কাওয়ার বিল নাসাকা সদরে অবস্থান নেন। শুক্রবার সকালে ৯টার দিকে তারা বাগগনা,হরসারা,নুরুলা পালা ও আলি থান কো গ্রামে গিয়ে ধর্ষনের স্বীকার হওয়া নারীদের সাথথে দেখা করেন,উল্লেখ্য যখন তাদের স্বামী-পিতারা পালিয়ে বেড়াচ্ছিল আটক হবার ভয়ে তখন লুন্ঠিন,নাসাকা ও অন্যান্য জায়গা থেকে আসা নাতালা গ্রামবাসীরা তাদের ধর্ষন করে।ভুক্তভোগীরা ভীতিহীনভাবে তাদের কথা প্রতিনিধিদলকে জানান। এছাড়া উক্ত প্রতিনিধিদল গ্রামবাসী ও এলাকার মুরুব্বিদের সাথে সাম্প্রতিক হামলার ব্যাপারে জানতে চান,এছাড়া রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থা এবং কেন এই সহিংসতা সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেন। একজন গ্রামবাসী জানান,”সহিংসতার সময় রাখাইন গুন্ডারা আমাদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং যখন আমরা আগুন নিভাতে যায় তখন নিরাপত্তা বাহিনী আমাদের উপর গুলি চালায়,এসময় অনেক গ্রামবাসী আহত ও মারা যায়। আরেকজন গ্রামবাসী জানান,”কতৃপক্ষ নানাভাবে আমাদের নিপীড়নের মুখোমুখি করছে এবং কিভাবে আমাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় সে চিন্তা করছে,কিন্তু যেহেতু আমরা এখনও আরাকানে বাস করি তাই কতৃপক্ষ উভয় পক্ষের মাঝে এই সহিংসতার সৃষ্টি করে।” “বর্তমান অবস্থা আরো খারাপ,নিরাপত্তা বাহিনী বিশেষ করে পুলিশ,লুন্ঠিন,সারাপা আর্মি আমাদের গ্রামে প্রবেশ করে ও নির্যাতন,নিপীড়ন,লুট করার পাশাপাশি ঘরের নারী ও মেয়েদের ধর্ষন করে,এবং আমরা এখন গৃহবন্দীর ন্যায় জীবযাপন করছি।আমাদের দোকানে গিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে যেতে পারি না,এছাড়া পুলিশ,আর্মি ও স্থানীয় রাখাইনরা আমাদের মারধোর করে অর্থ লুট করে ।এছাড়া আর্মি সম্প্রতি রোহিঙ্গা যাত্রীবাহি একটি বাস ডাকাতি করে, এই যদি অবস্থা হয় তবে কিভাবে আমরা তাদের বিশ্বাস করব।আমাদের কোন ওষূধ,খাদ্য,অর্থ নেই,এবং কোন এনজিও নেই এখানে আমাদের সাহায্যের জন্য। প্রতিনিধিদল আসার দশমিনিট পূর্বে একদল আর্মি একজন গরীব গ্রামবাসীকে কোন কারণ ছাড়াই নির্যাতন করে যখন সে তরকারী বিক্রি করছিল সারকোম্বো গ্রাম মার্কেট এ ,তার ঘর কন্যাপাড়া গ্রামে,এই ব্যাপারেও প্রতিনিধিদলকে বলা হয়। গতকালা,প্রতিনিধিদল বিকাল তিনটায় আকিয়াব পৌছেন,এবং সেখানে রাষ্ট্রদূত আরএনডিপি নেতা ডঃ উ আই মং ও অন্যান্য আরএনডিপি নেতা,ফেতুলেতাও সদস্য উ মং নু,এনএলডি সদস্য,ইউএসডিপি সদস্য ও অন্যান্য সামাজিক সংস্থার সদস্যদের সাথে দেখা করেন। এছাড়া আকিয়াবের রোহিঙ্গা নেতাদের সাথে তারা দেখা করেন এবং সেখানের শরনার্থী ক্যাম্পে গিয়ে তারা রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষন করেন। উক্ত প্রতিনিধিদল এর লক্ষ্য হল,স্থানীয়দের সাথে দেখা করে বিশেষ করে রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের দেখা করে তারা কিভাবে ভবিষ্যতে বাস করবে,রোহিঙারা পূর্বের মতই একত্রে বাস করতে চাইলেও রাখাইনরা তা চায় না,তারা আলাদাভাবে বাস করতে চাই। আজরাতে তারা নাসাকা সদরে বাস করবে বলে জানা যায়।