বার্মিজ প্রেসিডেন্ট বলেছেন তিনি রোহিঙা ইস্যু নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন

চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।বার্মিজ রাষ্ট্রপ্রতি ইউএন নেতাদের নিশ্চয়তা দিয়েছেন তিনি বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যবর্তী সাম্প্রদায়িক
দাঙা মোকাবেলা করবেন এবং জড়িতদের বিরূদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিবে বলে জানায় ইউএন ওয়েবসাইট।
ইউএন সাধারন বৈঠক যেখানে মুসলিম নেতারা লক্ষাধিক আশ্রয়হীন মুসলিমদের ব্যাপারে সিদ্বান্ত নিতে আহবান জানিয়েছেন

সেখানে থিন সেন ইউএন নেতা বান কি মুন এর সাথে বৈঠকে এই নিশ্চয়তা দেন।
বান কি মুন ও থিন সেন আরাকানে সমস্যা নিয়ে কথা বলেন এবং উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রতি বৃদ্ধির জন্য
কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে কাজ করবেন বলে বান কি মুনকে থিন সেন নিশ্চয়তা দেন।
ইউএন মুখপাত্র আরো বলেন,”থিন সেন এই ব্যাপারে অতি শীগ্রই ব্যবস্থা নিবেন বলে ইউএন কে নিশ্চয়তা দিয়েছেন।”
প্রেসিডেন্ট থিন সেন জুন এ বলেন যে,সরকার কেবল তৃতীয় প্রজন্মের রোহিঙা যারা ১৯৪৮ এর পূর্বে এসেছেন তাদের
নাগরিকত্ব ও দাবি দাওয়া মেনে নিবে,এর পরে আসা অভিবাসীদের ব্যাপারে কোন সিদ্বান্ত নিবে না।
কিন্তু অভিবাসন মন্ত্রী উ কিন ইয়ে রিপোর্টারদের বলেন যে,আরাকান এ কোন অনুপ্রবেশ ঘটে নি এবং যারা বার্মাতে
জন্ম নিয়েছেন তারা জাতীয় পরিচয়পত্র ধারন করবে এবং তৃতীয় প্রজন্মকে আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র দিব।
উ অং মিন জানান সরকার তদন্ত কমিশন সৃষ্টি করেছে যাতে রাখাইন ও রোহিঙাদের মধ্যেকার সংঘর্ষের মূল কারণ
উদ্ঘাটন সম্ভব হয়।
বার্মিজ নেতা ইউএন সাধারন পরিষদকে আশ্বস্ত করেনযে তিনি আরাকানের সমস্যা সমাধান করবেন।
এছাড়া ইউএন মহাসচিব ওআইসিকে বলেছেন যাতে তারা মিয়ানমারে মুসলিম রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সিদ্বান্ত নেওয়ার
ব্যাপারে চিন্তা করে কারণ এতে দেশটির রিফর্ম প্রসেস নষ্ট হতে পারে।
এছাড়া মানবাধিকার গ্রুপ বার্মিজ নিরাপত্তা বাহিনীকে হত্যা ধর্ষন ও আটকের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে।
ওআইসি সম্প্রতি রোহিঙা ইস্যুতে নিউইয়র্কে কমিটি গঠন করেছে এবং দাবি করেছে যাতে রোহীঙ্গাদের নাগরিক অধিকার
প্রদান করা হয়।
বার্মিজ প্রেসিডেন্ট এখন এমন এক অবস্থায় আছেন তিনি রোহিঙাদের দিকে দৃষ্টি দিলে জনগনের সর্মথন হারাতে পারেন আবার এই রোহিঙ্গাদের প্রতি খারাপা ব্যবহার পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে।

Leave a Reply