আর্মি মৃতদেহসহ একটি ট্রাক আটক করেছে আকিয়াবের মোলাকি ওয়ার্ডের এর পাশে

সিতওয়ে আরকান।আকিয়াব বিশ্ববিদ্যালয়ের মোলাকি ওয়ার্ডের নিকট থেকে আর্মি সম্প্রতি একটি ট্রাক থেকে রাখাইন
লাশ উদ্ধার করেছে,সন্দেহ হবার দরুণ তারা ট্রাকটি থামায় এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে।পরে আর্মি ট্রাকটি তাদের ক্যাম্পে নিয়ে

যায় এবং ট্রাক চালকদের গ্রেফতার করে।মৃতদেহটি ফেরত দেওয়া হয়েছে কি না তা জানা যায় নি।
আকিয়াব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী রোহিঙা গ্রাম আমলা পাড়া ও মওলা পাড়া অবস্থিত,উক্ত লাশকে ভার্সিটির সামনে
ফেলে রোহিঙ্গাদের ফাসানোর চেষ্টার জন্য লাশটি আনা হয়েছিল,এবং উক্ত রাখাইনকে রোহিঙ্গারা মেরেছে
এই রকম অভিযোগ করে রোহিঙ্গা গ্রাম মোলাক,হান্দি হোলা,আমলা পাড়া ও হোসাই পাড়াতে আক্রমন এর চেষ্টা
করতে পারে ২৮ সেপ্টেম্বর এর মত,রাখাইন গ্রামবাসীরা ও নেতারা অং মিঙ্গালাতে ও হোসাই পাড়া ও মোলাকা
পাড়াতে রোহিঙাগ্রামবাসীদের উপর হত্যা চালানোর চেষ্টায় ক্ষান্ত হয় নি।
এখন রাখাইন গুন্ডারা অন্যান্য রোহিঙ্গাগ্রামে হামলার চেষ্টা চালাবে এবং রোহিঙ্গা গ্রামবাসীদের কোন নিরাপত্তা নেই,
এছাড়া রোহিঙা গ্রামবাসীরা বার্মিজ নিরাপত্তা বাহিনীকে বিশ্বাস করে না বিশেষ করে পুলিশ,লুন্ঠিন,আর্মিকে-যদিও আর্মি
মাঝে মাঝে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দেয়।
এছাড়া সম্প্রতি মংডু দক্ষিন এ একইরূপ একটি ঘটনা ঘটেছে,একজন নাতালা গ্রামবাসী মাওরা ওয়াদ্দি গ্রামে মারা যান এবং
রাখাইন গ্রামবাসীরা তা রোহিঙা গ্রামে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা চালায় কিন্তু রোহিঙ্গা গ্রামবাসীরা তা নস্যাৎ করে দেয়।
এছাড়া,জুনে রোহিঙা গ্রামবাসীরা একজন রাখাইনকে আটক করে মিউমা পুলিশ স্টেশনে হস্তান্তর করে কারণ সে
রোহিঙ্গাদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল,কিন্তু আকিয়াবের রাখাইনরা অভিযোগ করে যে তাকে রোহিঙারা
মেরে ফেলেছে এবং এই অভিযোগে তারা রোহিঙ্গাদের গ্রাম আক্রমনের চেষ্টা চালায়।
এছাড়া কাউকনিমোয়র মিসেস থিদা তো এর মৃতদেহ মুসলিম গ্রামে ফেলে তিনজন রোহিঙ্গা তরুণকে অভিযুক্তের চেষ্টা
চালানো হয় এই অভিযোগে তারা তাকে ধর্ষন করে হত্যা করেছে ,কিন্তু পরে ডাক্তার এর রিপোর্টে জানা যায়,
তাকে ধর্ষন করা হয় নি।রাখাইন নেতারা তাঙ্গুপে তে জুন ৩ তারিখে ঘটোনার সুত্রপাত ঘটায় এবং ১০ জন নিরীহ মুসলিমকে হত্যা করে জাতিগত দাঙার সূচনা করে।
রাখাইন সম্প্রদায় বিশেষ করে আরএনডিপি ,এএলপি,এএলডি ও অন্যান্য মৌলবাদী রাখাইনরা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে
সমস্যার সৃষ্টি করবে যাতে তারা রহিঙ্গাদের নির্যাতন করতে পারে।রোহিঙ্গাদের কোন নিরাপত্তা নেই,তারা আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গাদের রক্ষা করা বলে জানান একজন স্থানীয় নেতা।

Leave a Reply