আরাকান রাজ্যের ইউএসডিপি প্রধান এর রোহিঙ্গাদের সাথে মংডূতে বৈঠক অনুষ্ঠিত

মংডূ,আরাকান।মংডুর একজন নেতা জানান আরকান রাজ্যের প্রধান উ মং উ মংডূতে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ব্যাপারে আরডিএ অফিসে
গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকালে রোহিঙ্গাদের সাথে বৈঠক করেছেন।

আরডিএ আয়োজিত উক্ত বৈঠকে উ মং উ ও দুইজন রোহিঙ্গা এমপি উ অং জো বিন ও উ সে মং রেঙ্গুন থেকে
বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন ,এছাড়া মংডুর অন্যান্য ইউএসডিপে এর সদস্য উ তুন লা সেন,উ সো বিন,
উ লা মিন্ত ও উ জাহাঙ্ঘির অংশ নেন।এছাড়া মংডুর ৩০ জন রোহিঙা উক্ত বৈঠকে অংশ নেন সাম্প্রতিক অবস্থা
ও প্রকৃত ঘটনা ও প্রমান তুলে ধরার জন্য।
উক্ত বৈঠকে উ মং উ রোহিঙাদের দায়ী করেন এবং এটাও  বলেন যে মংডুতে প্রথমে গন্ডগোল ,দাঙা রোহিঙারা
শুরু করে তবে আকিয়াবে প্রথমে রাখাইনরা দাঙা শুরু করে বলে তিনি স্বীকার করেন বলে জানান বৈঠকে
অংশ নেয়া একজন।
একজন রোহিঙা তরুন তার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন এবং বলেন যে জুন ৮ এ রাখাইন ও পুলিশ
দাঙার সূচনা করে,তারা চিৎকার করে পাথর ছুড়তে থাকে যখন রোহিঙ্গারা নামায পড়ছিল,পরে রোহিঙারা
যথাযথ কতৃপক্ষকে অভিযোগ করলে কতৃপক্ষ তাতে কর্নপাত করেনি এবং পুলিশ রোহিঙাদের উপর গুলি বর্ষন
করে যাতে দুইজন রোহিঙা মারা যান এবং উক্ত মৃতদেহ নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে যায় বলে জানান ঐ রোহিঙা যুবক।
রোহিঙা তরুণটি আরো বলেন যে,জেলে এখন প্রায় ১০০০ জন রোহিঙা আছেন যারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন 
এবং তারা তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্ছিত,অন্যদিকে উ মং উ মাত্র ৫৬০ জন রোহিঙা বন্দী আছে বলে জানান।
নিরাপত্তা বাহিনী ও নাতালা গ্রামবাসী ৩০০ রোহিঙ্গা ঘরবাড়ী দক্ষিন মংডুতে পুড়িয়ে দিয়েছে,৫০০ ঘরবাড়ি লুট করেছে
এবং তারা সমস্ত দ্রব্য সামগ্রী,সোণা ও অর্থ লুট করে নিয়েছে,এছাড়া পুলিশ তিনশ রোহিঙা মোটর বাইক আটক করেছে
এবং রাখাইনরা নিরাপত্তাবাহিনীর সহায়তায় ৩০০ দোকান লুট করেছে,এছাড়া উত্তর মংডুতে দুইশ রোহিঙা নারীকে
ধর্ষন করেছে তারা।
মংডূর একজন ব্যক্তি জানান,পুলিশ,লুন্ঠিন ও নাসাকা এখনও রোহিঙাদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরন ও নিপীড়ন চালাচ্ছে
যেখানে ইউএসডিপি প্রধান মংডু পরিদর্শন করছে এবং রোহিঙাদের সাথে বৈঠক ও করেছে।
উ মং উ এর উপস্থিতিতেই নাতালা গ্রামবাসীরা নুরুল্লাহ পাড়ার একজন নারীর ঘর লুট করতে চেয়েছিল এবং তখন
তার চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা এগিয়ে আসলে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ছূড়ে।এই পরিস্থিতিতে ইউএসডিপি কোন সাহায্য 
করেন নি রোহিঙাদের এবং উক্ত অফিসার যখন মংডুতে আসেন রোহিঙ্গাদের তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন।

Leave a Reply