ইউএস প্রতিনিধি দলের বার্মিজ শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন

উখিয়া,বাংলাদেশ।ইউএস প্রতিনিধিদল কুতুপালং এর স্থায়ী নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ক্যাম্প পরিদর্শন
করেছে বলেন ক্যাম্পের একজন শরনার্থী ছাত্র।
তিন সদস্যের ইউএস প্রতিনিধি দল যাদের মধ্যে ইউএস রাষ্ট্রদূত দেন ডব্লিউ মজিনা ও ছিলেন,তিনি কুতুপালং ক্যাম্প

পরিদর্শন করেন এছাড়া কুতুপালং ক্যাম্প এর নিকটবর্তী অনিবন্ধিত ক্যাম্পও তিনি
পরিদর্শন করেন।
কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা শরনার্থীরা জানান,গত  ২১ বছর ধরে তারা দুঃখ কষ্টের সাথে বাস করছেন,
আমরা এখানে এখন থাকতে চায় না এবং তৃতীয় কোন দেশে আশ্রয় নিতে চায় বলে জানান একজন রোহিঙা শরনার্থী শিক্ষক।
শরনার্থীরা এছাড়াও বার্মিজ নাগরিক হিসেবে তাদের অনুমোদন প্রার্থনা করেন এবং আরাকান রাজ্যে
রোহিঙা আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানো বন্ধ করতে বলেন।
একজন রোহিঙ্গা নারী বলেন যে,আমরা বাংলাদেশে বার্মা থেকে পালিয়ে এসেছি কারণ আমরা আমাদের
মাতৃভূমি আরাকানে শান্তিপূর্নভাবে বাস করতে পারছি না এবং বার্মিজ সরকার আমাদের যথার্থ মানবাধিকার
দিচ্ছে না।
এছাড়া লায়লা নামের আরেকজন শরনার্থী জানান,”ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ তাদের শরনার্থি
হিসেবে গন্য করে না।”
তিনি আরো বলেন,”আমরা বাংলাদেশে থাকতে চায় না,এবং আমরা আমাদের দেশে ফেরত যেতে চায়
যেখানে আমরা যথার্থ ভাবে যথাযথ অধিকারসহ জীবনযাপন করতে পারব,এবং অন্যান্য গোষ্ঠীদের মত
জীবনে নিরাপত্তা পাব।বর্তমানে বার্মাতে অবস্থার কোন পরিবর্তন হচ্ছে না এবং প্রায় হাজারের অধিক
রোহিঙাদের মেরে ফেলা হয়েছে ও প্রায় একশ রোহিঙা নারীকে ধর্ষন করা হয়েছে,যাদেরকে ধর্ষন ও
হত্যা করার সময় বার্মিজ সিকিউরিটি ফোর্স সাহায্য করেছিল।
একজন শরনার্থী ছাত্র ইসমাইল জানান যে,তারা বাংলাদেশে যদি থাকতে হয় তবে তাদের যেন উচ্চ
শিক্ষার  ব্যবস্থা করা হয়।
ইউএস দল বিকাল ৩টা২০ মিনিট এ পরিদর্শন করে এবং দেড় ঘন্টা থাকার পর তারা চলে যান।
এছাড়া বৃহস্পতিবারের সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তারা লেদা ক্যাম্পে গিয়ে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের অবস্থা
পর্যবেক্ষন করেন।
যদিও ইউএস দল শরনার্থীদের দাবি সম্পর্কে কোন মতামত দেয় নি,তবে তিনি জানান,ঢাকায় পৌছানোর
পর এই ব্যাপারে তিনি  সাংবাদিকদের ব্রিফিং দিবেন।
সহকারী সচিব আলিয়সা আয়রিস জানান,ইউ এস সরকার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এর জন্য বাংলাদেশ
সরকারের সাথে আলোচনায় আগ্রহী।
ইউএস পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন এই চারজন সচিব নিয়ে গঠন করা শক্তিশালী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ
ও বার্মা পরিদর্শন করতে পাঠান যাতে তারা বার্মা ও বাংলাদেশে অবস্থা সম্পর্কে অনুসন্ধান করে রিপোর্ট করতে পারেন।

উক্ত দল বার্মাতেও পরিদর্শন করেন সেপ্টেম্বর এর ৭ তারিখ এবং ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে
রোহিঙা মুসলিমদের এলাকা পরিদর্শোন করেন এবং রোহিঙা ও রাখাইন ক্যাম্প পরিদর্শোন করেন,তারা বাংলাদেশে মঙলবার আসেন এবং আজ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন,আলিসা আরো জানান।

Leave a Reply