ইউএস প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে

ঢাকা,বাংলাদেশ।বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছে ইউএস প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে রোহিঙা শরনার্থীদের জন্য কি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করবে,উক্ত প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষন করেছে জাতিগত দাঙা এর পর
এবং তারা ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকাতে আসবেন।”
৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে ইউএস সরকার বার্মাতে পাঠায় গত ৮ সেপ্টেম্বর এবং উক্ত পরিদর্শন শেষ হওয়ার পর
তারা ঢাকা ও কক্সবাজারের তিন দিনের সফরে আসবেন।
তারা হলেন পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্র সচিব জোসেফ ইউন,মিসেস এলিসা আইরেস,কেলি ক্লামেন্টস ও ডেনিয়েল বেয়ার।বেয়ার মানবাধিকার ও শ্রম বিষয়ক ব্যুরো এর সহকারী সচিব,এলিসা দক্ষিন ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর সহকারী  সচিব এবং ক্লেমেন্টস শরনার্থী বিষয়ক  ব্যুরো এর সচিব।
উক্ত দল সরকারী কর্মকর্তা ও আর্ন্তজাতিক সংস্থা এর প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাৎ করবে যাতে রোহিঙা শরনার্থীদের পরিস্থিতি উন্নয়ন করা যায়।
এছাড়া বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দেন ডব্লি মজিনা উক্ত প্রতিনিধি দলের সাথে রোহিঙ্গাদের শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
সুত্র অনুযায়ী,ইউএস দল বার্মিজ সরকারের সাথে আলোচনা করেছে যাতে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি স্থাপন করা যায় রোহিঙাদের জন্য।
এছাড়া উক্ত মিশন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাথে আলচনা করতে আগ্রহী যাতে তাদের মতামত নিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যার একটি শান্তিপূর্ন সমাধান সম্ভব হয়।
জুন এ রোহিঙা মুসলিমদের উপর পুলিশ,লুন্ঠিন,নাসাকা ও মগরা হামলা চালায় এবং এক হাজারের বেশী মুসলিম মারা যান ও হারিয়ে যান,এছাড়া আরও অনেকে ঘর হারিয়ে জীবনযাপন করছেন।
মংডূতে প্রায় ৫০০ জন রোহিঙ্গা মারা যান,১০০০ জন আটক ও ২০০ জন নারী ও মেয়ে ধর্ষিত হয়েছেন।আরএনডিপি ও নিরাপত্তা বাহিনী হিন্দুদের দিয়ে রোহিঙাদের মৃতদেহ কবর  দিয়েছে  কিন্তু পূর্ন সংখ্যা জানা যায় নি,কারণ রোহিঙ্গা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না।
বার্মিজ সরকারের তথাকথিত রিপোর্টে মাত্র ৮০ জন মারা গিয়েছেন যার মধ্যে অধিকাংশ রোহিঙ্গাএছাড়া আরো ৭০০০০ জন ঘর বাড়ি হারিয়ে বাস করছেন ,অনেকে জীবন বাচানোর জন্য সীমান্ত পাড়ি দিতে চাইলেও তাদেরকে বিজিবি ফেরত পাঠায় এবং অনেকেই পথে মারা যায়।
এছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর কানাডার হাই কমিশনার কুতুপালং ক্যাম্প পরিদর্শন করে রোহিঙা শরনার্থীদের অবস্থা পর্যবেক্ষন করেছেন।

Leave a Reply