উত্তর আরাকানে কোন আইডিপি ক্যাম্প নেই

মংডূ,আরাকান।মংডুর কতৃপক্ষ যারা ঘর বাড়ি ও সম্পত্তি  হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন তাদের জন্য কোন
আশ্রয়স্থল এর ব্যবস্থা করেন নি,জুনে  হওয়া এই সংঘর্ষে অনেক রোহিঙ্গা তাদের ঘর বাড়ি হারিয়েছে বলে জানান মংডূর
একজন।
বুতিদং এর মং না গ্রামের ৩০০ পরিবারকে নিরাপত্তা বাহিনী উচ্ছেদ করেছে ও তাদের সম্পত্তি লুট করেছে,রোহিঙ্গাদেরকে মংডু
থেকে বের করে দেওয়ার পর তাদেরকে বুতিদং থেকেও বের করে দেওয়া হয়েছে,এখন তারা নান ইয়া গান গ্রামে বাস করছে কোন ঘর বাড়ি ছাড়া,কোন আশ্রয়স্থল ছাড়া তারা নিদারুন কষ্টে বাস করছে।
এছাড়া রতিদং এর রোহিঙ্গারা দক্ষিন মংডূতে পালিয়ে এসেছে এবং তারা জঙল এ বাস করছে,এরা রতিদং এ নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাস করতে পারছে না,এবং রাখাইনরা প্রায় সময় তাদের আক্রমন করে,নিরাপত্তা বাহিনী-পুলিশ,
নাসাকা,লুন্ঠিন ও আর্মি তাদের যথার্থ নিরাপত্তা দিচ্ছে।রোহিঙ্গারা মংডুতে তাদের ছেড়ে দিয়েছে,এবং তাদের কাছে কোন তাবু ও নেই।
সরকারী প্রতিনিধিদল যারা নেতৃত্বে ইউ এন এজেন্সি ও আর্ন্তজাতিক এনজিওরা আছে রা বেশ কয়েকবার আরাকান সফর
করেছে এবং রোহিঙা ও রাখাইন উভয় কে ত্রান বিতরন করেছে যদিও অভিযোগ আছে সিংহভাগ ত্রান রাখাইনদের দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল শান্তি স্থাপন করা পুনরায় উভয় সম্প্রদায়ের মধ্য,এছাড়া তারা জরুরী ত্রান বিতরন করা
এছাড়া দুর্গতদের পূর্নবাসনএর জন্য  তারা ব্যবস্থা গ্রহনে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে।
যদিও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় যে উভয় পক্ষকে সাহায্য ও পূর্নবাসনে সহযোগীতা করা হয়েছে যা থিন সেন সরকার প্রর্দশন করেছে কিন্তু প্রকৃত সত্য হল রোহিঙাদের এরূপ কোন সাহায্য দেওয়া হয় নি কেবল রাখাইনদের সাহায্য করা হয়েছে,এছাড়া কতৃপক্ষ  নাতালা গ্রামবাসী বা অন্য এলাকার বাসিন্দাদের মংডুতে এনে রোহীঙ্গাদের সম্পত্তি দখলে উৎসাহিত করছে এবং তারা রোহিঙ্গাদের উপর আক্রমন চালাতেও দ্বিধা চালাচ্ছে না,মংডুতে রোহিঙ্গাদের তাবু দেওয়া হচ্ছে না যেগুলো ইউএনএইচসিয়ার এর  পক্ষ থেকে দেওয়ার কথা সেখানে বিপুল সংখ্যক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ২২২ টি আশ্রয়স্থল ৪০০
তাবু দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোও রাখাইনদের কাছে দেওয়া হয়েছে।
রোহিঙহারা এই সব থেকে বঞ্ছিত হয়েছে,আবার দুই ট্রাক রাখাইন ই চাং গ্রামে রোহিঙাদের ঘরবাড়ি লুট ও গবাদিপশু চুরি করে নিয়ে  যায়।তাদের বিরূদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি।
ইউএন ও এনজিও কেবল আকিয়াব এর রোহিঙাদের ত্রান বিতরন করছে,কিন্তু মারুক ইউ,মিনবা,কাউকত,পক্ত ও কাউকনিমোতে কোন ত্রান বিতরন করা হয় নি।
মংডুতে যে সমস্ত রোহিঙ্গারা তাদের ঘর বাড়ি হারিয়েছে তারা অন্য রোহিঙ্গাদের ঘরের পাশে বাস করছে এবং কেউ তাদের
সাহায্য সহযোগীতা করছে না,এছাড়া তারা খাদ্য সমস্যায় ভুগছেন এবং দিনমজুর হিসেবে যারা কাজ করেন তারা অনেক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

Leave a Reply