আর্নো এর বক্তব্য-২৩ আগস্ট

জুনে শুরু হওয়া সংঘর্ষের ফলে বার্মিজ নিরাপত্তা বাহিনী মুসলিম রোহিঙাদের মসজিদে নামাজ আদায় করতে দিচ্ছে না
এবং কতৃপক্ষ উত্তর আরাকানের সমস্ত মসজিদের নামাজ আদায় বন্ধ করে দিয়েছে।পবিত্র রমজান মাসে পরিস্থিতি আরো
ভয়াবহ রূপ নেয়,এবং ঈদের দিন মুসলিমরা ভয়ে নামাজ আদায় না করে ঘরে আশ্রয় নেয়।
পবিত্র কুরআন ও ধর্মীয় পুস্তক নিরাপত্তা বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছে,এর পাশাপাশি আরো অনেক মসজিদ ও মাদ্রাসা
ধব্বংস করা হয়েছে,২২ তারিখ রাত ৯টার দিকে আর্মি ও বুদ্দিস্ট অধিবাসীরা তা ইয়া কন তান গ্রামের মসজিদ ও
লাম্বাগোনা এর মাদ্রাসা পুড়িয়ে দিয়েছে।
মুসলিম রোহিঙ্গাদের টার্গেট করা হয়েছে,এবং আর্মি,পুলিশ, ও নিরাপত্তা বাহিনী রাখাইনদের সহযোগীতায় রোহিঙ্গাদের উপর
ঝাপিয়ে পরেছে,তারা বলেছে যে “আরাকান রাখাইনদের ,রাখাইন ও বুদ্দিসম একই,এবং রোহিঙ্গাদের এখানে
স্থান নেই’।উল্লেখ্য এই কথাটি আরএনডিপি এর স্লোগান ।
আরাকানের গন্ডগোলকে সাম্প্রদায়িক দাঙা হিসেবে চালানো চেষ্টা করা হচ্ছে কিন্তু প্রকৃত সত্য হল এটা পরিকল্পিতভাবে
ঘটিত হত্যাযজ্ঞ,যা শান্তিপ্রিয় রোহিঙ্গাদের বিরূদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে,রোহিঙ্গাদের হত্যা,আটক ধব্বংস ও ধর্ষন করা হচ্ছে।
সরকারী  বক্তব্য অনুযায়ী প্রায় ৮৭ জন মারা গেছে কিন্তু এখন প্রায় ২৫০০ জন রোহিঙা নিখোজ আছেন যারা মারা
গিয়েছে বলে ধারনা করছি আমরা,ইউএন ও আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমরা আপিল করছি যাতে তারা
একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করেন।
সরকার ঘটিত তদন্ত কমিশন নিরপেক্ষ নই কারণ এখানে এবং অনেকে রয়েছেন যারা রোহিঙ্গাদের বিরূদ্ধে বিরূপ মনোভাব
ধারন করেন,আরএনডিপি এর সভাপতি ডঃ আই মং,উ আ তা অং এএলডি এর সভাপতি,উ কিন মং সে এন্ডিএফ প্রধান
ও ৮৮ জেনারেশন নেতা ক ক গি।
প্রেসিডেন্ট থিন সেন রোহিঙ্গাদের ডিসঅন করেছেন এবং ইউএন হাইকমিশনারকে বলেছেন তাদের ক্যাম্পে রাখতে যতদিন অন্য দেশে তাদের সরানো না হয়।
অন্যদিকে অং সান সুকি এই ব্যাপারে চুপ করে আছেন এবং রোহীঙ্গাদের এখন বন্ধুত্যহীন করে রাখা হয়েছে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন যে হারে করা হয়েছে তাদের বিচার বার্মাতে করা সম্ভব না,এটা জরুরী যে ইউএন এই ব্যাপারে
ব্যবস্থা নেয় এবং রোহিঙ্গাদের উপর হত্যা নির্যাতন ও লুট এর বিচার করতে ব্যবস্থা নেয় এবং জাতিসংঘ একটি
আরাকানে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল স্থাপন করা জরুরী।
এটা জরুরী যে জাতিসংঘ পুরা ঘটনা অনুসন্ধান করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয় এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করে।
এছাড়া যাবতীয় ত্রানসামগ্রী কোন বৈষম্য ছাড়া সবাইকে প্রদান করা জরুরী।
এটা অবশ্য জরুরী যে বার্মিজ সরকার আটককৃতদের সম্পূর্ন লিস্ট প্রদান করে এবং তাদের কবর দেয় এবং
ভুল অভিযোগে আটককৃতদের মুক্তি প্রদান করে।
এছাড়া ইউএন ওয়াইসি ও আর্ন্তজাতিক কমিটির একত্রে কাজ করে রোহিঙা সমস্যার সমাধান বের করা জরুরী এবং
রোহিঙ্গাদের আরাকানে একটি সমান উপজাতি গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
For further information, please contact:

Nurul Islam: + 44 07947854652
Aman Ullah + 880 1558486910
Email:        info@rohingya.org

Leave a Reply