কতৃপক্ষ ধর্মীয় নেতাদের সাথে দেখা করে মংডুতে ঈদের নামাজ আদায় করতে বলেছে

মংডু,আরাকান।মংডুর দ্বায়িত্বপূর্ন কর্মকর্তা শহর ও জেলা প্রশাসক সমস্ত রোহিঙ্গা সম্প্রদায় নেতাদের শহর প্রশাসন অফিসে
আসন্ন ঈদুল ফিতরের গন জামাত পড়তে আলোচনা করেন।
শহর প্রশাসক-কি সান ও জেলা প্রশাসক অং মিন্ত সো ৫০ জন নেতাকে সমস্ত গ্রাম থেকে ডেকে পাঠান কিন্তু মাত্র খুব অল্প
সংখ্যক সেখানে আসেন।
কতৃপক্ষ রোহিঙা নেতাদের বলেন যে,ঈদুল ফিতর এর নামায পড়তে দেওয়া হবে,কিন্তু ইউএসডিপে এর এমপি উ
জাহাঙ্গীর ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায়ের কথা বললে কতৃপক্ষ মন্তব্য করে তা উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে জানাতে জানান একজন
গ্রামবাসী।
কতৃপক্ষ কেবল তথ্য রেকর্ডের অন্য বসে আছে যাতে তারা দেখাতে পারে আর্ন্তজাতিক কমিউনিউটিকে এখানে রাখাইন
ও রোহিঙাদের মধ্যে কোন বিবাদ নেই এবং তারা শান্তিপূর্নভাবে বাস করছে।
কতৃপক্ষ মসজিদ তালা বন্ধ করে রেখেছে গত ৮ জুন থেকে এবং গত মাস থেকে কতৃপক্ষ মসজিদের ঈমামদের গ্রেফতার
করেছে আর এখন কতৃপক্ষ ধর্মীয় নেতাদের বৈঠকে আনতে চাচ্ছেন গ্রাম প্রশাসক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে।
শহর প্রশাসন অফিসে বৈঠকের পর অফিসার তার অধীন গ্রাম প্রশাসক আইইয়ুব খানকে দিয়ে কিছু ভন্ড ধর্মীয় নেতাকে
দিয়ে মং নি বমু ও দুই নং ওয়ার্ডে প্রচার চালান এই বলে যে তারা নামায আদায় করতে পারবেন,এই সময় তাদের
কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয় যা কতৃপক্ষ চেয়েছিল আসল।
“থিন সেন নতুন তদন্ত কমিশন এ রোহীঙ্গা কোন প্রতিনিধি নেই এবং অধিকাংশ সদস্যের রোহিঙাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব
আছে।”
একইভাবে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি নতুন তদন্ত কমিশনের ব্যাপারে তাদের আপত্তি জানিয়েছে কারণ এখানে মুসলিম
ও রাখাইনদের সমান অংশগ্রহন নেই এবং এখানে রাখাইন ডেভ পার্টির ডঃআই মং,কো কো গি এর মত জাতিবিদ্বেষী
এবং জাগানা যে কিনা প্যারিসে বলেছে রোহিঙারা বিদেশী,যদিও সেখানে মউসলিম সদস্য আছে কিন্তু কোন রোহিঙ্গা
নেই।
রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে উক্ত সংঘর্ষ হয়েছিল কিন্তু কমিশন এ কেবল রাখাইনদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে,যা থেকে
বুঝা যায় এটি নিরপেক্ষ  নয়,জানান এনডিএইচপি এর প্রধান উ লা হং,তিনি আরো বলেন আমরা উ থিন সেন এর কাছে
আবেদন করছি যাতে তিনি ভুল সদস্যদের কমিশন থেকে বের করে দেন এবং কিছু রোহিঙ্গা সদস্যদের অর্ন্তভুক্ত করেন।

Leave a Reply