৫ জন নিহত ও ১৭ জন আহত এবং মংডূতে আরো অনেকে আটক

মংডূ,আরাকান।আর্মি ৫ জন রোহিঙ্গাকে হত্যা ও আরো ১৭ জনকে আহত করেছে যখন লাম্বোগনা গ্রামে তারা
গতকাল রাত ১০টায় গুলি বর্ষন করে।


যাওমাতাত গ্রামে অবস্থানরত আর্মী ও থেরেকবন গ্রামের রাখাইনরা লাম্বাগোনা গ্রামে হামলা চালায় রাত ১০টার দিকে এবং
যখন গ্রামবাসীরা সাহায্যের জন্য চিৎকার করে তখন আশেপাশের গ্রামবাসীরা  ছূটে এলে আর্মি গুলি করে।”
“আমির হুসেনের পুত্র আব্দুল সালাম,ইয়াসিন এর স্ত্রী খাদিজা, রহমত উল্লাহ এর শিশু পুত্র আসগর গুলিতে মারা যান
ও আরো ১৭ জন আহত হন,আর্মি গ্রাম ঘিরে ফেলে এবং কাউকে গ্রাম থেকে বের হতে দেয় নি,গুরুতর আহত দুইজন
এর অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় নি।
আর্মি ও রাখাইন ৩ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে,আটককৃতরা হলেন,ইয়াসিন এর দুই পুত্র মধু(৩০)  ও কলিম উল্লাহ(২৮) ,এবং নুরুল হক(৩৫)।
কতৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের বলছে রাখাইনদের সাথে মিলেমিশে থাকতে আবার অন্যদিকে আর্মি ও রাখাইনরা রোহীঙ্গাদের
উপর হামলা চালাচ্ছে কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে,এটা কিভাবে সম্ভব কতৃপক্ষকে না জানিয়ে প্রশ্ন করেন একজন।
আর্ন্তজাতিক মুসলিম সম্মেলন সংস্থা(ওআইসি) রোহিঙাদের ব্যাপারে তাদের মনোভাব প্রকাশ করেন এবং তারা
ইউএন নিরাপত্তা পরিষদ এর বৈঠকে এই ব্যাপারে তারা তুলে ধরবেন এবং ১৪-১৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকে
মহাসচিব হিজ এক্সসেলিন্সি ডঃ ইহসানলু এটা পরিষ্কার করেন যে বার্মিজ সরকারের নিকট,১।৫ বিলিয়ন মুসলিম
ও ৫৭টি দেশের ওআইসি রোহিঙ্গাদের পাশে দাড়িয়েছে।
বার্মিজ মানবাধিকার সংস্থা ও বার্মিজ সরকার অন্যদিকে বলছে বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে সংগঠিত এই দাঙায়
কোন আর্ন্তজাতিক তদন্তের প্রয়োজন নেই।
জাতিসংঘ ১৬ আগস্ট প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানিয়েছে রাখাইন রাজ্যে বাস্তুহারা হয়েছেন ৬৮৫০০ জন
এবং তা আরো বারছে ,বিশেষ করে আকিয়াব,কাউকতো ও মংডুতে এছাড়া আরো অনেক জায়গায় মানুষ বাস্তুহারা
হয়ে যাচ্ছে।
বার্মিজ টাস্কফোর্স ইউএসএ জানায়,” আমাদের মাথায় রাখতে হবে আমরা যখন ঈদ এর জন্য অপেক্ষা করছি সেখানে
রোহিঙ্গারা মসজিদ এ যেতে পারছে না ঘরেও থাকতে পারছে না।
এই ব্যাপারে সুর্নির্দিষ্ট প্রমান আছে যে বার্মিজ বৌদ্ধ সরকার রোহিঙ্গাদের বিরূদ্ধে এই অত্যাচার এর পিছনে আছে বলে জানান ডঃ মং জারনি যিনি লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স এ ভিসিটিং ফেলো হিসেবে আছেন এখন।

Leave a Reply