বিদেশী কমিশনের আরাকান এর দাঙার ব্যাপারে কোন তদন্তের প্রয়োজন নেইঃথিন সেন

মংডূ,আরাকান।বার্মিজ সরকার তার অঙ্গীকার থেকে সরে আসছে যা তারা ওআইসি,ইউএন ও আর্ন্তজাতিক
সম্প্রদায়কে করেছিল,এছাড়া বার্মিজ সরকার প্রধান তুর্কির পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যে অঙ্গীকার করেছিলেন তার থেকেও
দূরে  সরে গিয়েছে বলে জানান মংডুর একজন যা তিনি ভোয়ার বার্মিজ প্রধান থান লিন তুনের সাথে আলোচনায় বলেন।
“এখন বার্মিজ সরকের এটিকে আভ্যন্তরীন সমস্যা বলে চালাতে চাচ্ছেন না এবং বলছেন যে এটা দুইটি গ্রুপের মধ্য
সংঘর্ষ এবং এখানে কোন ধর্মীয় ও গোষ্ঠীগত দাঙা নেই।”
সরকার  ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য করছে এবং একটি “স্বাধীন” বার্মিজ মানবাধিকার সংস্থাকে  বলেছে উক্ত ঘটনা অনুসন্ধান করতে যা গত জুনে শূরু হয়েছে এবং রোহিঙা ও রাখাইনরা একত্রে বাস করছে,বিদেশী কমিশনের তদন্তের কোন প্রয়োজন নেই এটি আর্ন্তজাতিক সমস্যা হিসেবে গন্য করে জানান প্রেসিডেন্ট।
মংডূ শহর প্রশাসক অং মিন্ত সো ২ নং ওয়ার্ডের ভার প্রাপ্ত প্রশাসক মুজিব উল্লাহ ও মং নি গ্রামের প্রশাসক
আব্দুল রহমানকে তার বাগানে ডেকে পাঠান সকালে, জানান একজন গ্রামবাসী যিনি তাদের দেখেন,তাদেরকে
সরকারী পরিকল্পনা হস্তান্তর করা হয়।
অনেক গ্রামবাসী মনে করে জেলা প্রশাসক যে পরিকল্পনা করছে তার ফলে আর্ন্তজাতিক কতৃপক্ষ ওয়াইসি ও ইউএন যে তদন্ত করবে তাতে প্রকৃত চিত্র ফূটে উঠবে না।
কতৃপক্ষ এই তিন গ্রাম প্রশাসক -মুজিব  উল্লাহ,আব্দুল রহমান ও আয়ুব খান রোহিঙাদেরকে কতৃপক্ষ যে রকম
বলে আর্ন্তজাতিক কমিউনিটির সাথে সেরূপ কথা বলতে বলেছে।”
কতৃপক্ষ ও তাদের পুতুল প্রশাসকরা রাখাইন্দের সাথে লাথা গ্রামে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সাথে বৈঠক করে এবং
কর্মকর্তারা উভয় পক্ষকে বলে একত্রে থাকতে  এবং যাতে ভবিষ্যতে কোন সংঘর্ষে তারা না জড়ায়।
এছাড়া তারা রোহিঙা-রাখাইন করমর্দনের ছবিও তুলেন।
নাসাকা এরিয়া কমান্ডার ,জেলা প্রশাসক ও কিছু আর্মি অফিসার অং দং গ্রামে গিয়ে গ্রামবাসীদের ডেকে পাঠান ও গত ১৩ আগস্ট তারা বৈঠক করেন এবং বলেন যে যাতে উভয় সম্প্রদায় একত্রে মিলেমিশে থাকে এছাড়া
তাদের থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এই মর্মে যে তারা গ্রামে শান্তিপূর্নভাবে বাস করছে জানান একজন।
করিম উল্লাহ,৩৫,চেয়ারম্যান,মো তৈয়ব,৩২,আবু হানিফ,৪৫,রশিদ উল্লাহ,৩৫,ইলিয়াস,৪০,সলিম উল্লাহ,৪০ ও খাইরুল ২৮।
কতৃপক্ষ এটি আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়কে দেখাতে চাচ্ছে যে উভয় গোষ্ঠী একত্রে বাস করছে কিন্তু রাখাইন ও পুলিশ অফিসাররা রোহিঙ্গাদের প্রতিদিন নির্যাতন,মারধোর ও লুন্ঠন করছে জানান মংডূর একজন শিক্ষক।
পন্দপিন গ্রামের আনোয়ারকে রাখাইনরা নির্যাতন করে যখন সে ও তার মা ঘরে যাচ্ছিল,আনোয়ার গুরুতর আহত হয় এবং তার কপাল থেকে রক্ত পড়ছিল।”
আনোয়ারের মা প্রমান সহ জেলা প্রশাসকের কাছে গেলে রাখাইন কর্মকর্তারা তাকে প্রশাসকের সাথে দেখা করতে
দেন নি এবং বিচার ছাড়াই ফিরে আসেন।”
“রাখাইন আর পুলিশ রোহিঙাদের লুন্ঠন ও মারধোর করতে থাকলে শহরে থাকা সম্ভব কিভাবে?এটা আবার
দাঙা শূরু করতে পারে এবং কতৃপক্ষের যর্থার্থ ব্যবস্থা নিয়ে রোহিঙ্গা ও রাখাইনদের জীবন রক্ষা করা জরুরী।”
যদি কতৃপক্ষ মসজিদ খুলে না দেয় তাহলে বুঝা যাবে কতৃপক্ষ শহরে শান্তি চায় না এছাড়া এটি আরো প্রকাশ
করে কিরূপে সংখ্যালঘুদের সাথে বৈষম্য করা হচ্ছে,কতৃপক্ষ  তাদের জীবনের জন্য এক জায়গা থেকে আরেক
জায়গায় যেতে পারছে না।
রোহিঙারা মংডু মার্কেটে গিয়ে দৈনন্দিন জীবন-যাপনের জিনিস্পত্র কিনতে পারছে না তাই কিছু কিছু গ্রামে এখন
গ্রাম্য মার্কেট শুরু করেছে।
সেজার গ্রামের একজন জানান,”একটি ছোট মার্কেট এই গ্রামে স্থাপন করা হয়েছে এবং রোহিঙ্গারা এই মার্কেটে
এসে খাবার ও অন্যান্য দ্রব্য কিনে,কিন্তু কতৃপক্ষ এই মার্কেটের প্রতি ভীতশ্রদ্ধ হয়ে গিয়েছে এবং একজন
রাখাইন উক্ত মার্কেটের ছবি তুলছে।
কতৃপক্ষ রাখাইনদের জিনিসপত্র কিনতে বিক্রি করতে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সময় দিচ্ছে।”

Leave a Reply