৩০০০ জন রোহিঙ্গা রতিদং থেকে পালিয়ে গিয়েছে

মংডূ,আরাকান।গত ৮ আগস্ট থেকে প্রায় ৩০০০ এর মত রোহিঙ্গা রতিদং থেকে পালিয়ে গিয়েছে
বলে জানান মংডূর একজন।
এই সমস্ত রোহিঙ্গারা থেত পিং তারা পিং অনক পিং ও রতিদং এর অন্যান্য গ্রামের বাসিন্দা,তারা
গ্রাম থেকে পালিয়ে যান যখন রাখাইনরা তাদের হুমকি দেয়।
তারা আরো ভয় পায় যখন তারা রোহিঙ্গাদের পুড়িয়ে দেওয়া ,গ্রাম পুড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি
রাখাইনরা কাউকথান গ্রামে পুড়িয়ে দেয়। কাউকতো ও রতিদং এর গ্রামের রোহিঙ্গারা একই অবস্থায়
থাকলেও এক দল রোহিঙা পালিয়ে যাওয়ার সিদ্বান্ত নেয় যেখানে অপর গ্রামের বাসিন্দারা  গ্রাম
থেকে বের হন নি ,পালানোর চেষ্টা করেন নি।
রোহিঙারা গিরিপথ পাড়ি দিয়ে ৮ নং নাসাকা এরিয়াতে প্রবেশ করেছে এবং তারা এখন থাওয়ান চান,
কদান্দুক ও চিলখালি গ্রামের আশেপাশে আছেন বলে জানান তংচান গ্রামের একজন।
পার্শ্ববর্তী নাসাকা ক্যাম্পের ব্যক্তি বর্গ রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প দিয়ে যেতে দিচ্ছে না এবং এখন বর্ষাকাল
হবার কারণে তারা কষ্টের সাথে বেঁচে আছে,তাদের সাথে কোন খাদ্য বস্ত্র ও আবাসের জায়গা নেয়।
সম্প্রতি তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ দাবুতিগ্লু আকিয়াব প্রদর্শন করে রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষন করেব
এবং রোহিঙ্গা ও রাখাইনদের ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন কিন্তু কেউ এ সমস্ত রোহিঙাদের ব্যাপারে জানে
না এবং তাদের কে ত্রান দেওয়া সম্ভব হয় নি।
বার্মিজ এঞ্জিওগুলো রাখাইনদের ত্রান সামগ্রী দিচ্ছে কিন্তু রোহিঙ্গাদের কেউ ত্রান সামগ্রী দিচ্ছে না,
সরকার রাখাইন্দের ১৪৪ ধারার মধ্যেও বাইরে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে এবং কতৃপক্ষ রাখাইনদের জন্য
আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে কেবল এবং রোহিঙারা নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটকের ভয়ে আছে এবং
তারা তাদের ঘর থেকে খাবারের খোঁজে যেতে পারছে না।
মুসলিম এনজিও ও আর্ন্তজাতিক মুসলিম দেশ ও সংস্থাগূলো রোহিঙ্গা ও রাখাইন উভয় পক্ষকে
ত্রান সামগ্রী দিচ্ছে কিন্তু তাদেরকে রতিদং ও মংডুতে ত্রান সামগ্রী দিতে অনুমতি দেওয়া
হচ্ছে না।কতৃপক্ষ রাখাইনদের জন্য অনেক রিলিফ সেন্টার খুলেছে যারা মংডূর মাত্র ৪ ভাগ,
নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙাদের হত্যা করছে এবং রাখাইনদের সাহায্য করছে।

Leave a Reply