কতৃপক্ষ এই ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করছে মংডূতে কোন সংঘর্ষ বা ঝামেলা নেই

মংডূ,আরাকান।মংডূর একজন ব্যক্তি জানান কতৃপক্ষ মংডুতে শান্তিপূর্ন অবস্থা বজায় রাখার জন্য
আর্মি মোতায়েন করে রেখেছে।
মার্কেটের পাশে  কিছু আর্মি অবস্থান করছে এবং রোহিঙ্গা খাদ্যদ্রব্য কিনতে যখন মার্কেটে যাচ্ছিলেন
তখন রোহিঙ্গাদের আর্মি চাল বিক্রি করছিল যা গতকাল থেকে শূরু করেছে।”
রোহিঙারা ক্রয় করা চাল ঘরে নিয়ে গেলে পুলিশ এই সমস্ত চালের বস্তার জন্য তাদের থেকে টোল
আদায় করছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা আয় তুন সেন ও সার্জেন্ট থন মং গি ক্লক টাওয়ারের পাশে অবস্থান নিয়ে রোহিঙ্গাদের থেকে
অর্থ আদায় করছেন।
প্রতি বস্তা বাবদ তারা ১০০ ক্যত করে আদাত করে আদায় করছে এবং মাঝে মাঝে তাদেরকে লুট ও করছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা রোহিঙাদের জেনারেটরের পিছনে নিয়ে গিয়ে স্বর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে।
যদি আর্মিও উক্ত টাওয়ারে অবস্থান নেয় তবে রোহিঙ্গারা আরো মুক্তভাবে চলাচল করতে পারবে বলে জানান
একজন স্কুল শিক্ষক।
“কতৃপক্ষের এই হঠাৎ নীতি পরিবর্তন এর কারণ করে ইউএন মানবাধিকার প্রতিনিধি তোমাস অজে কিউন্টানা
মংডু পরিদর্শন করছেন এবং তাকে বুঝানোর জন্য রোহিঙ্গাদের খাদ্য দেওয়া হচ্ছে,এছাড়া মংডু শরনার্থী শিবিরে
রাখাইনরা অবস্থান নিয়েছে এবং শরনার্থির মত জীবন যাপন করছে যেখানে প্রকৃত অর্থে রোহিঙ্গারা শরনার্থী এবং
তারা খাদ্য ও ওষূধ ছাড়া মানবেতর জীবনযাপন করছে।”
একজন ব্যক্তি জানান যে,থোমাস অজে কিউন্টানা প্রকৃত সত্য জানার জন্য রোহিঙ্গা গ্রাম সমূহ পরিদর্শন করা উচিত এবং মংডুতে
সংঘর্ষের পর রোহিঙ্গাদের জীবনযাপন সম্বন্ধে তার তথ্য সংগ্রহ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা উচিত।
ইউএন তাদের অফিসিয়াল ওয়েবে ইউএন এর মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার নবি পিল্লাই বলেছেন যে,তারা তথ্য পেয়েছেন
বিভিন্ন সুত্র থেকে এরোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন ও শোষন করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীও তাদের নির্যাতন ও শোষন করছে,
রিপোর্ট থেকে বুঝা যায় যে এই দাঙা এখন অনেকটা রোহিঙা নিধন ও বিশেষ করে রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরূদ্ধে
আঘাত করছে।
তিনি ইউএন বিশেষ প্রতিনিধি এর আগমনকে স্বাগত জানান এবং বলেন যে একটা স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন ছাড়া বিকল্প
নেই এবং তার একদিনের সফরে তিনি পর্যালোচনা করে বলতে পারবেন অবস্থান কি রকম।

Leave a Reply