১০ জুলাই এর সর্বশেষ সংবাদ

বতিদং শহরঃ
গত ৬ জুলাই বুতিদং এর নয়াপাড়া গ্রামে দুইজন গ্রামবাসী আলি আকবর এর পুত্র নবী হুসেন ও ঘোড়া মিয়ার পুত্র ফকিরাকে হত্যা করে।নবী হুসেন এর
বয়স ৩৫ ও ফকিরার ১৫ বলে জানা যায়।
তাদেরকে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকার সময় ৫টা৩৫ এর দিকে গ্রেফতার করা হয়,তারা জানে যে তাদের ৬টার ভিতর ঘরে ঢুকতে হবে ,কারণ ১৪৪ ধারা
জারি করা হয়েছে গত ১০ জুন থেকে,কিন্তু হঠাৎ করে একদল আর্মি এসে তাদের ঘিরে ফেলে ও তুলে নিয়ে যায়।পরে তাদের নিকটবর্তী একটি বৌদ্ধ
মন্দিরে আটকে রেখে মারধোর করা হয়,তারা ভেবেছিল তাদের মেরে ফেলা হবে এবং পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের পিছন থেকে গুলি করা হয় এবং
তারা দুইজন আহত হন,পরদিন তাদের আত্নীয়দের তাদের সাথে দেখা করতে বলা হয় এবং যখন তাদের সাথে দেখা হয় তখন তাদের ছেলেরা
অভিভাবকদের ঘটনা বর্ননা করে এবং সামান্য সময় পর তারা মারা যায়।মৃতদেহগুলো জলদি হস্তান্তর করে কবর দিতে বলে আর্মি।
এছাড়া গত ৩ জুলাই বুতিদং এর পুলিশ এক নং দদান গ্রামে যায় এবং দিল মোহাম্মদ,আব্দুল কাদের,মো জুবায়েরকে গ্রেফতার করে।তাদের বাড়ি
দোদানে দুইনং গ্রামে।
এছাড়া গত ১৫ জুন আনু ও কালুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল একই জায়গা থেকে।আটককৃত বেশিরভাগকেই বিনা অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়,কিন্তু তাদের
বিরূদ্ধে অভিযোগ করা হয় তারা রাখাইন ও নাতালা গ্রামiবাসীদের হুমকি দিয়েছে,রোহিঙ্গা গ্রামবাসীরা তাদের গ্রামের ভিতর দিয়ে বুতিদং এ যেতে বারণ করেছে যাতে তাদের উপর অন্যান্য ক্ষুদ্ধ রোহিঙ্গারা আক্রমন না করে এছাড়া কতৃপক্ষকে রোহিঙ্গারা জানিয়েছে  তারা রাখাইনদের সাথে কোন বিরূপ আচরন করবে না।
একজন গ্রামবাসী জানতে চান,”৬টার পূর্বে কেন ঐ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল!”
কিছু কিছু রোহিঙাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল কারণ তারা আইন ভঙ্গ করেছিল ,কিন্তু এমন অনেকে আছে যাদের কোন কারণ ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়।এবং
বার্মিজ কতৃপক্ষ আকিয়াব,বুতিদং ও অন্যান্য শহরে রোহিঙাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে,এটা যে সরকারের আদেশেই ঘটছে তা আর অজানা নয়।
এটা পরিষ্কার যে আরাকান রাজ্য,আরএনডিপি,স্থানীয় রাখাইন নেতা ও তরুনরা এই হট্টগোল শুরু করে এবং পুলিশ,লুন্ঠিন,নাসাকা ও আর্মি এর পিছনে হাত আছে।পুলিশ ও লুন্ঠিন রোহিঙাদের গুলি করছে ও রাখাইনরা রোহিঙাদের ঘর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠন করছে,পুলিশ ও লুন্ঠিন রাখাইনদের ঘরে
আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে এবং এর থেকে বুঝা যায় যে সরকার এর সাথে জড়িত রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য,যদি এটা সত্য না হয় তবে এই একতরফা
দাঙা ও নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না কেন!
মংডু,শহরঃ
আজ সকাল ১০টার দিকে পুলিশ ও লুন্ঠিন আটটি ট্রাক নিয়ে ৫ নং ওয়ার্ডে যায় ও রোহিঙ্গাদের আটক করতে,এর মধ্যে দুইটি ট্রাকে নারী সিকিউরিটি ফোর্সও ছিল,উল্লেখ্য এখানে মংডূতে যেখানে নারী সিকিউরিটি ফোর্স নেয়,হঠাৎ করে এখানে এল তারা কিভাবে এবং রোহিঙাদের গ্রামেই বা কেন গেল!
সিকিউরিটি ফোর্স দেখে রোহিঙারা আটক না হওয়ার জন্য পালিয়ে যায়,পরে সিকিউরিটি ফোর্স তাদের ক্যাম্পে ফিরার সময় আট জন গ্রামবাসীকে
ধানক্ষেত ও রাস্তা থেকে গ্রেফতার করে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.