বার্মা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ফিরিয়ে নিবে বলেছে

চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।ঢাকাতে প্রেস কনফারেন্স এ  গতকাল বার্মিজ কনসাল বলেছেন,এর নাগরিক যারা বাংলাদেশে বসবাস করছে তাদের নাগরিকত্ব
পরীক্ষার পর তাদের ফেরত নেওয়া হবে।
মিজারুল কায়েস বলেন,”বার্মিজ সরকার তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিবে এবং রোহিঙাদের লিস্ট চেয়েছে।”
বার্ষিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে মং মিন জানান যে আর্ন্তজাতিক আইন অনুযায়ী তাদের ফেরত নেওয়া হবে।
কালাদান প্রেস এর সাথে একজন স্কুল শিক্ষক বলেন,”শরনার্থীরা বার্মাতে ফেরত যেতে চান না,কারণ,পরিস্থিতি আমাদের পক্ষে নেই,এবং সেখানে এখনও
পরিস্থিতি খারাপ”।
তিনি আরও বলেন,রাখাইনরা আরাকানে রোহিঙ্গাদের হত্যা করছে এবং গত ৮ জন্য হতে অনেক ঘরবাড়ী পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী
অনেককে গ্রেফতার করেছে,রোহিঙাদের কারণ ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বার্মিজ সরকার যেখানে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না সেখানে
আমরা সেখানে গিয়ে কি করব>?
ইউএনএইচসিয়ার ও আর্ন্তজাতিক কমিউনিউটির সহায়তায় তারা সেখানে ফেরত আসতে চান বলে জানান।বার্মাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গাদের
মানবাধিকার ফিরিয়ে দিলেই আমরা ফেরত আসব বলে জানান তিনি।
এছাড়া সম্প্রতি বার্মিজ নাগরিকদের ভিতরে ঢুকতে না দেওয়ার জন্য সাম্প্রতিক দাঙাতে,বার্মিজ সরকার বাংলাদেশকে স্বাগত জানান।
এছাড়া বার্মিজ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মং মিন্ত বলেছেন তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে চান এবং যারা ক্যাম্পে ও ক্যাম্পের বাইরে আছেন তাদের ফেরত নেওয়ার জন্য।
মিজারুল জানান যে প্রায় ৪০০০০০ রোহিঙা এখন বাংলাদেশে আছেন ,এবং বার্মিজ নাগরিকদের সংখ্যা কারাগার সমূহে ১০০ এর উপর হতে পারে।
একজন শরনার্থী জানান আমরা ২১ বছর ধরে এখানে বাস করছি এবং আমাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না,তাই আমরা আশা করব
সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা যত জলদি পারে সমাধান করুক।”
এই ৬ষ্ঠ বৈঠকে  মিজারুল ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এবং মং মিন্ত এর দলে ছিলেন ৬ জন।
মং মিন্ত পরে দিপু মনির সাথে দেখা করেন এবং ঢাকার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এই জন্য তারা সম্প্রতি দাঙার সময় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে!
উত্তরে দীপু মনি বলেন যে আরাকান সমস্যা সমাধান ঢাকা সাহায্য করবে,এছাড়া বার্মিজ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর
জন্য আলোচনা করেন এবং মুখে সম্মতি ও দেন কিন্ত কোন চুক্তি বাস্তবায়িত হয় নি।

Leave a Reply