আরাকান রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ব্রিট্রিশ পার্লামেন্ট অবস্থিত

চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।পশ্চিম বার্মার বর্তমান পরিস্থিতি ও মানবাধিকার নিয়ে সম্প্রতি গত ২৭ জুন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এ আলোচনা হয় যা সভাপতিত্ব
করেন ব্যারনেস কিনক,জানায় সিএসডব্লিউ(ক্রিশ্চিয়ান সলিডারিটি নেটওয়ার্ক),উল্লেখ্য এই বৈঠকের মূল অংশগ্রহনকারীরা বার্মিজ গনতন্ত্র বিষয়ক
কমিটির সদস্য।
ব্রিটিশ সংসদ সদস্য বেরনেস কিনক,পূর্ব এশিয়া সিএস ডব্লিউ এর নেতা বেনেডিক্ট রজার্স,বাররমিজ রোহিঙা এসোশিয়েশন এর সভাপতি মং তুন কিন,
আরাকান প্রজেক্ট এর ক্রিস লুয়া উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় ৪০০০ জন রোহিঙ্গা মারা গেছে,৪০০০০ জন নিখোজ,১২০ জন নারী ধর্ষিত এবং ১৪টি মসজিদ পুড়িয়ে দিয়েছে,যদিও কতৃপক্ষ বলছে মাত্র ৮০ জন রোহিঙা ও রাখাইন মারা গিয়েছে।
বর্তমান দাঙার পিছন সরকারের মধ্যে কট্টরপন্থীরা মদদ দেন যারা বার্মার অবস্থার পরিবর্তন চান না ,এছাড়া রাখাইন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি যারা
রোহিঙ্গাদের বার্মিজ গোষ্ঠীর অংশ হিসেবে মনে করেন না জানান তুন কিন।তিনি আরো বলেন,”রোহিঙ্গা বিরোধী কার্যক্রম বেশ কয়েকমাস ধরে চালিয়ে আসছে
আরএনডিপি এবং আরাকান ও ইয়াংগুন এ এ ব্যাপারে সমাবেশ আয়োজিত হয়েছে।”
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের তাদের সীমান্তে প্রবেশ করতে মানা করছে এবং প্রায় ১৬টি বোট ফেরত পাঠিয়েছে।
“আরাকানে জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক দল পাঠানো একান্ত জরুরী,যদিও দাঙা থেমে গিয়েছে এর পরও রাখাইনরা রোহিঙাদের ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে,আমরা
ব্রিট্রিশ সরকারের কাছে অনুরোধ করব যাতে তারা বার্মিজ সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার নির্যাতন বন্ধ করতে এবং
আরাকানে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনে।
তুন কিং ব্রিটেনের কাছে অনুরোধ করেন “যতে ব্রিট্রেন বার্মার উপর চাপ প্রয়োগ করে যাতে রোহিঙ্গারা তাদের ঘরে নিরাপদে ফিরে যেতে পারে,
এছাড়া যাতে বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করে যাতে রোহিঙ্গাদের তারা আশ্রয় দেয় এবং যে সমস্ত রোহিঙ্গা মুসলিম বিরোধী কার্যক্রম এর বিরূদ্ধে কাজ
করছে তাদের নাগরিকত্ব প্রদান করে।
বেনেডিক্ট রজার্স জানান,”সিএসডব্লিউ আপিল করেছে যাতে নিরাপত্তা বাহিনী ,কতৃপক্ষ আরাকান রাজ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শান্ত করে এবং বিভিন্ন
ধর্ম ও গোষ্ঠীর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে,এছাড়া আর্ন্তজাতিক কমিনিউটি ব্রিট্রিশ সরকার,ইইউ ও আমেরিকা মানবাধিকার
পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য চাপ প্রয়োগ করে এছাড়া এনএলডি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল যাতে জোর দাবি তুলে ১৯৮২ সালের নাগরিক আইন খারিজ করে দেয়,উক্ত আইনে রোহিঙ্গাদের কোন রূপ অধিকার দেওয়া হয় নি,রোহিঙ্গারা বার্মাতে যুগ যুগ ধরে বাস করছে এবং বার্মাতে সকল ধর্মের মানুষ সমধিকার পায় এবং বার্মার সবাই যাতে সমধিকার ও মর্যাদা পায়।”

Leave a Reply