২৪ জুনের সর্বশেষ সংবাদ

জোরপূর্বক আটক
হাবিব উল্লাহ(৫৫),পিতা নিজাম উদ্দিন,নারি বিল গ্রামের ৬ নং নাসাকা সদর থেকে ২২ জুন
গ্রেফতার করে ,সে একজন দিন মজুর এবং তার ঘরে ১২ জন সদস্য আছে।শোনা গিয়েছে তাকে
অনেক মারধোর করা হয়েছে এবং এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোন খবর আসে নি।
মাহফুজুর রহমান(২০),পিতা নাজির আহামেদ,৫ নং নাসাকা এরিয়া থেকে গত ২৩ জুন গ্রেফতার করা হয়,সে আরবী ছাত্র।
লাম্বা গনা গ্রামের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আবুল কালামকে সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেফতার করে ও নির্যাতন করে।
এছাড়া ২নং ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমান এর পুত্র মো আয়াজকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ সকাল ১০টার দিকে,তিনি একজন কুরআন হাফেজ এবং তার বাবা মংডূ বড় মসজিদ এর চেয়ারম্যান ছিলেন।
এছাড়া সেজার গ্রাম থেকে ২০ জন রোহিঙাকে দাউলিয়া পাড়া ও কাওংলিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা
হয় এবং তাদের ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এছাড়া আরো কিছু রাখাইন তরুনকে রোহিঙাদের হুমকি দেওয়ার সময় নাসাকা তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বলে,কিন্তু যখন তারা যেতে চায় নি তখন পুলিশ ডেকে তাদের গ্রেফতার করানো হয়,কিন্তু এখনও
তারা পুলিশ হেফাজতে আছে কিনা জানা যায় নি।তাদেরকে নাসাকা ১ নং ওয়ার্ড এর কইন জ এর ঘরের
সামনে থেকে আটক করে।
এছাড়া কাওলিল এর পুত্র কালা মিয়া,মো হুসেন এর পুত্র হাবিব উল্লাহ এবং মো শফি এর পুত্র আবুল
কালামকে লাবাগয়েনা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গতকাল বিকালে নাতালা গ্রামবাসীরা উত্তর আরাকান থেকে  লাম্বাগনা গ্রামে রোহিঙ্গাদের মালিকানাধীন
একটি মার্কেটে লুন্ঠন চালায়,উক্ত মার্কেট এর অধিকাংশ দোকান রোহিঙাদের ছিল,নাতালা গ্রামবাসীরা পুলিশ এর পূর্ন সহযোগীতা পেয়েছে,আরাকানে জরুরী অবস্থা ঘোষনা করা হয়েছে রাখাইন-রোহিঙ্গা সংঘর্ষের জের ধরে,কিন্তু এইখানে কেবল রোহিঙাদের উপর তা আরোপিত হচ্ছে।আর আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়কে এটি দেখানো হচ্ছে এবং এর মাঝে রোহিঙ্গাদের চিহ্ন মুছে ফেলার পায়তারা চলছে।
এছাড়া কাওলিল এর পুত্র কালা মিয়া ,আহমেদ হুসেন এর পুত্র হাবিব উল্লাহ এর ঘর আর্মির সাহায্যে নাতালা গ্রামবাসীরা লুট করে,এর মধ্যে চাল,পেয়াজ,রসুন,কাপড় ও প্লেট ও আরো অনেককিছু ছিল।
মংডু শহরে গত ৯ জুন থেকে পুলিশ কতৃক লুন্ঠন চলছে,এবং সকাল ৬টার দিকে পুলিশ অবস্থাপন্ন
রোহিঙাদের ঘর থেকে লুট করে-সরকার এর জরুরী অবস্থা কেবল রোহিঙ্গাদের জন্য,রাখাইনদের জন্য
নয়।রোহিঙ্গাদের উপর ১৪৪ ধারা ও কারফিউ থাকলেও রাখাইন্দের এরূপ কোন ঝামেলা হচ্ছে না,এবং
আর্মি ও নাসাকা রোহিঙা শিক্ষিত তরুণ ও নেতাদের গ্রেফতার করছে।সরকার পূর্বপরিকল্পিত ভাবে
এই কাজ করছে।
বাংলাদেশ থেকে এক দল রাখাইনকে ১৯৮০ সালে সামরিক গোয়েন্দা নিয়ে আসে যারা পূর্ব বেগনা গ্রামে স্থায়ী হন,কিন্তু জুন ১৬ থেকে তারা স্বর্ন ও টাকা লুট করছে,এবং এই সব না পেলে তারা নারীদের ধর্ষন
করছে।

রতিদং এর অং পিন এ ৬ জন রোহিঙা নারীকে ধর্ষন করে উগ্রপন্থী সহকারী প্রশাসক উ অং মিং কি,কু
দং পুলিশ কর্মকর্তা উ থা অ,প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা উ মং কা জ,প্রাক্তন চেয়ারম্যান উ ক মিন এবং
আরো অনেকে,এছাড়া আরো দু জন নারীকে ছুরিকাঘাত করা হয়,তারা অনেক ঘর পুড়িয়ে দেয় এবং
অনেকে মারা যায়।
মসজিদ ধব্বংসঃ
অং পিং গ্রামে দুটি মসজিদ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
৫০০ জন রোহিঙ্গা শিশু আটক!

১০-১৩ বছর বয়সী ৫০০ জন রোহিঙা শিশুকে একটি প্রাইমারী স্কুলে আটকিয়ে রাখা হয়েছে এবং এই খবর লেখা পর্যন্ত তাদের কোন খবর পাওয়া যায় নি।অংপিন গ্রামের ঐ স্কুলটি রাখাইনরা দখল করে রেখেছে।
আটকে পড়া মানুষদের ফেরতঃ
এছাড়া প্রায় ১৫ জন রোহিঙ্গাকে আকিয়াব থেকে মংডুতে ফেরত পাঠানো হয় যারা সেখানে আটকা
পড়েছিল।তাদের জেটিতে দেখে রাখাইনরা হত্যা করতে এলে পুলিশ তাদের সরিয়ে  দেয়।

Leave a Reply