মংডুতে মেয়েরা নিরাপদ নয়

মংডূ,আরাকান।মংডুর একজন রাজনীতিবিদ জানান নিরাপত্তা বাহিনী এখন মংডুতে রোহিঙা তরুণীদের ধর্ষন শুরু করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ধর্ষন একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার এবং এটা পূর্বে শান প্রদেশে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল তবে মংডূতে এরূপ এবারই প্রথম। জুন এর ৮ তারিখ পর্যন্ত প্রাউ ৬০ জন নারীকে মংডূ নিরাপত্তা বাহিনী-পুলিশ,নাসাকা,আর্মি —রাখাইন ও নাতালা গ্রামবাসীদের সহায়তায় ধর্ষন করেছে।” অধিকাংশ রোহিঙ্গা তরুণীকে নিরাপত্তাবাহিনী রাখাইন ও নতুন অধিবাসী -নাতালাদের সাহায্যে ধর্ষন করে যখন ঘরের পুরুষ মানুষেরা বাইরে ছিল-এছাড়া তারা ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় -যার মধ্যে স্বর্ন ও অর্থও ছিল,এই সময় ঘরে কেবল নারীরাই ছিল যখন নেই কাজ করে রাখাইন ও নাতালারা জানান একজন ভুক্তভোগী।

নিরাপত্তা বাহিনী পরিবারের লিস্ট চেক করার কথা বলে তাদের ঘরে প্রবেশ করে এবং রোহিঙাদের ধর্ষন করে। কিছু সংবাদ এই ব্যাপারে উল্লেখ করা হইলঃ ৪ জন নাসাকা সদস্য কালাবানু(৩০)কে ধর্ষন করে গত ১৫ জুন এবং তার ঘরে লুন্ঠন চালায়,তার বাড়ি সাওমাওনা গ্রামে।জুন ১৭ তারিখে পদং পিন গ্রামে আমিনা নামের একজনকে গনধর্ষন করে পরে সে ব্যথায় মারা যায়,এছাড়া দিলদার (১৬),আমিনা(১৫),হামিদা(১৭) এবং কুলসুমাকে বাগোনেন গ্রামে আর্মি ধর্ষন করে ,এছাড়া আরো দুইজন রোহিঙাকে গত ১৮জুন ধর্ষন করে আর্মি । এছাড়া গত ১৯ জুন নুরুল্লাহ পাড়া আর্মি নাতালার সাহায্যে আরো কিছু রোহিঙ্গা তরুণীকে ধর্ষন করে- শফিকা(২৫),কালাবানু(১৫),এন্নো(২৫),ধলাবানু(১৫),রোজেয়া(১২),লালবানু(১২) জানু(২৫),গুলজার(১৫),বুলবুল(১৫),সুনাবে(২০) এবং ১২ বছরের আরো দুইজন। এছাড়া গত ২০ জন মাগইচং এ নাসাকা আর কিছু রোহিঙা তরুণী নুনু(২৫),বিলকিস(২৪),খাতুন(৬৫),হামিদা(৪০),আরনোফা(৪৫),লালবানু(১৬) এবং মুমু (১৪),বানু(৫০)কে ধর্ষন করে। এছাড়া নাসাকা শাকিলা(১৭) নামের একজনকে গনধর্ষন করে,যখন শাকিলার পরিবার এই ব্যাপারে নাসাকা অফিসে নালিশ করতে যান তখন তাদের হুমকি দেওয়া হয়,পরে তাদের দশহাজার ক্যত অফার করা হয় মেয়ের চিকিৎসার জন্য ও অভিযোগ তুলে নিতে বলে। আরাকান ও আকিয়াবে নিরাপত্তাবাহিণী সংখ্যালগুতে পরিনত হওয়া রোহিঙ্গাদের উপর এখন নির্যাতনের স্টীম রোলার চালচ্ছে,লুন্তিন ,নাসাকা,আর্মি,পুলিশ সাধারনের পাশে না দাঁড়িয়ে তাদের হয়রানী করছে এবং ঘরবাড়ী পূড়িয়ে দিচ্ছে,কার্ফিউ জারির পর অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে,এবং রাখাইনরা মুসলিমদের উপর হামলা চালাচ্ছে,মুসলিমদের ধনসম্পত্তি লুট করা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না,জান্না নুরুল ইসলাম।আর্নোর প্রেসিডেন্ট ডঃ নুরুল ইসলাম গত ১৩ জুন লণ্ডন এ এক প্রতিবাদ সমাবেশে বলেন রোহিঙাদের উপর এই বিমাতাসুলভ আচরন বন্ধ করা হোক।

Leave a Reply