১৯ জুন সর্বশেষ সংবাদ

রতিদং এ গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া ও হত্যা অব্যাহত
রাখাইনরা রতিদং এর একটি রোহিঙা গ্রাম অনাকপিন ১৯ তারিখ সকালে পুড়িয়ে দেয়,৬০টি ঘর ধূলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয় এবং আটজন রোহিঙা ও আটজন রাখাইন মারা যায়।এছাড়া আরো অনেকে আহত হয়।এছাড়া আরেকটি  রোহিঙা গ্রাম -থারা পিন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অধিকাংশ রোহিঙ্গা গ্রামবাসীকে জবাই করা হয়েছে ,উল্লেখ্য এই গ্রামগুলো মাইয়ু গ্রাম ও রাখাইন গ্রামের মাঝে অবস্থিত।
মংডূতে আটক
মোহাম্মদ আলী যিনি চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা,এবং আরডিএ এর তিনজন সদস্য যাদের মধ্যে এর চেয়ারম্যান ইউনুস ও আছেন তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়া ২ নং ওয়ার্ড ফয়েজি পাড়া থেকে জ জ লেকে সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ ধরে নিয়ে যায়।
আর্মি এছাড়া যাপিনইয়া,পং জার,লাবাওজা,কাতাপাগনে,সানফরদিন বিল থেকে পরিবার এর লিস্ট চেক করে তরুণদের গ্রেফতার করছে।এছাড়া তারা পরিবারের লিস্টও নিয়ে যায়
মংডূতে ধর্ষন অব্যাহত
দিলদার(১৬),আমিনা(১৫),হামিদা(১৭), ও কুলসুমা(১৮)কে গত ১৭ জুন মংডুতে বাগনিয়া গ্রামে আর্মিরা ধর্ষন করে।
রোহিঙাদের পুশ ব্যাক
বোর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ড ১৩৯ জন রোহিঙ্গাকে শাহ পরীর দ্বীপ থেকে বিজিবি গ্রেফতার করে ফেরত পাঠিয়েছে

পুলিশ ও লুন্ঠিন এর পর আর্মিও এখন রোহিঙ্গাদের বিরূদ্ধে নির্যাতন শূরু করেছে এছাড়া রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ছোট ছোট বোটে করে যেগুলোতে ১০-১৩ জন করে মানূষ বসতে পারে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সময় বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের হাতে পড়ে
বিজিবি ১৩ জন রোহিঙাকে তাদের কাস্টডিতে নিয়ে নিয়েছে।
এছাড়া বার্মিজ আর্মির ভয়ে রোহিঙ্গা তরুণরা পালিয়ে যাচ্ছে,আরাকানের সমস্যা শেষ হয়েছে ভেবে যখন যখন রোহিঙারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছিল তখন আবার ঝামেলা শূরু হল আবার রোহিঙারা চিন্তার মুখোমুখি হয়েছে।

Leave a Reply