বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ফেরত পাঠিয়েছে

টেকনাফ,বাংলাদেশ।খারাপ আবহাওয়ার মাঝে বাংলাদেশ ৪৪ জন রোহিঙ্গাকে গত ১৫ জুন ফেরত পাঠিয়েছে বলে জানান উক্ত এলাকার একজন।
“বোর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্টগার্ড ৪৩ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছে যারা সেন্ট মার্টিন দিয়ে ট্রলার এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চেয়েছিল।”
সাথে সাথে উক্ত বোটটি ফেরত পাঠানো যায় নি কারণ তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গিয়েছিল ভারি বর্ষন ও বাতাসের কারণে,এছাড়া সেখানে একটি বাচ্চা ও জন্ম নেয় গত বৃহস্পতিবার সকালে,উক্ত গ্রুপকে কোস্টগার্ডের কড়া নজরদারীতে রাখা হয়।
বিজিবি তাদের আরেকটি ট্রলার প্রদান করে এবং তাদের বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেরত পাঠানো হয়।
একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি কালাদান প্রেসকে জানান যে,তারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন কারণ রোহিঙ্গাদের পুলিশ,লুন্ঠিন ও রাখাইনরা আকিয়াবে হত্যা করছে।
তিনি আরো জানান যে,যেহেতু বাংলাদেশ মুসলিম ও স্বাধীন তাই আমরা এখানে পালিয়ে এসেছি,কিন্তু বাংলাদেশ খারাপ আবহাওয়াতেও আমাদের ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে,কিন্তু তারা চাইলে আবহাওয়া উন্নতি হলেওতা করতে পারত কিন্তু তা তারা করছে না।
এছাড়া নাফনদীতে নারী ও শিশুসহ আরো বহু নৌকা নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় আছে।
১৫টি বোটে প্রায় ২০০০ রোহিঙ্গা গত বৃহস্পতিবার থেকে নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় ছিল,কিন্তু আজ সকাল থেকে বোট গূলো কোথায় গিয়েছে তা জানা যায় নি।
ইউএন শরনার্থী সংস্থা,ইউ এস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এইচআরডব্লিউ,বিএনপি ও অন্যান্য বাংলাদেশীরা শরনার্থীদের আশ্রয়ের দাবি জানালেও সরকার তা শুনছে না এবং বাংলাদেশে কোন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয় নি এখন ও পর্যন্ত।
কিন্তু রোহিঙ্গাদের বিরূদ্ধে শুরু হওয়া এই সহিংসতার সময় কিছুটা আজব,অনেকে এটিকে সামরিক সরকারের ষড়যন্ত্র বলে ভাবছেন যাতে অং সাং সুকি রাজনৈতিক চাপে থাকেন,তিনি রোহিঙ্গাদের সর্মথন করলে ও বৌদ্ধদের সর্মথন হারাবেন আবার রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতার বিরূদ্ধেও বলতে পারছেন না,এবং আর্ন্তজাতিক সম্প্রদ্রায় থেকে তিনি নিন্দার স্বীকার হবেন,আর তাই থাকে এই ব্যাপারে সর্তক হতে হবে,উক্ত
তথ্য উঠে আসে ডেইলিস্টার এর সম্পাদকীয়”রোহিঙ্গা প্রশ্নে”,যা লিখেন আশফাকুর রহমান।
সুইস রাজধানী বার্নে অং সাং সুকিকে যখন সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেন রোহিঙ্গাদের তিনি নাগরিক হিসেবে স্বীকার করেন কি না?তখন তিনি বলেন যে দেশে যথার্থ আইন  থাকা উচিত কে নাগরিক হওয়ার যোগ্যতা রাখে এবং কে রাখে না।”
“আমাদের নাগরিকত্বের আইনের ব্যাপারে আগে একটি সুস্পষ্ট ধারণা ও নীতি মেনে চলতে হবে,আর রাখাইন রাজ্যে যা হচ্ছে তা স্থিতিশীল অবস্থায় আনা অনেক জরুরী।বাংলাদেশ ও বার্মার অরক্ষিত সীমান্তের কারণে এখানে মানুষ প্রবেষ করছে প্রায় সব সময়।”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.