আকিয়াবের অবস্থা এখন শান্ত তবে এখনও খাদ্য সমস্যা বিদ্যমান

চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।আরাকানের রাজধানী আকিয়াবের অবস্থা বর্তমানে শান্ত,আর্মি বর্তমানে শহরের নিয়ন্ত্রন গ্রহন করেছে।আকিয়াবের একজন ব্যবসায়ী জানান,অধিকাংশ রোহিঙ্গা গ্রামবাসী খাদ্যসমস্যায় ভুগছেন,যখন থেকে আকিয়াবে এই সহিংসতা শূরু হয়েছে
আকিয়াবে প্রায় ৫০০০০ জন লোক বাস্তুহারা হয়ে গিয়েছেন এবং এই জাতিগত দাঙা দেশটির গনতন্ত্রের পথের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করবে।এই সমস্যার শীগ্রই সমাধান একান্ত জরুরী।
এদিকে আকিয়াবে রাখাইনরা মুসলিমদের খাদ্য বিক্রি করছে না এবং গতকাল থেকে সেখানে ভারী বর্ষন হচ্ছে,যা খাদ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে,এছাড়া এটি এখন অনেকটা অসাধ্য হয়ে গিয়েছে আশ্রয় পেতে এই ভারী বর্ষনে কারণ অধিকাংশ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে হয়েছে।অধিকাংশ বাস্তুহারা এখন স্কুল ও আত্নীয় স্বজনের বাড়িতে অবস্থান নিচ্ছে এবং শিশুরা ডায়রিয়া,কফ ও অন্যান্য রোগে ভুগছেন।
ইয়াঙ্গুন ব্যবসায়ী গোষ্ঠী যাদের মধ্যে বৌদ্ধ ও মুসলিম উভয় আছে তারা বাস্তুহারাদের এক পোয়া করে চাল দিয়েছে।
আকিয়াবের আরেকজন জানান,মুসলিমদের ঘরবাড়ী পুড়িয়ে দিতে যাওয়ার সময় আর্মি ৩০ জন বৌদ্ধ ও হিন্দুদের গ্রেফতার করেছে।
জুলাই ১৩ তারিখে ইউএন মহাসচিব বাং কি মুনের বিশেষ  উপদেষ্টা বিজয় নাম্বিয়ান সীমান্ত মন্ত্রী জেনারেল থিন তে ও ১৫ জন মুসলিম নেতার সাথে হেলিকপ্টারে করে আকিয়াব যান ,তাদের কেবল নাজিড়পাড়া দেখানো হয় কারণ তা অর্ধেক জ্বলন্ত অবস্থায় ছিল,নাজিরপাড়া দেখার পর তাদেরকে নিরাপত্তার অজুহাতে
ইয়াঙ্গুন এ ফেরত নেওয়া হয়।
এছাড়া,শুক্রবার জুমার পর আলি থান ক,হরসারা,সলিমপাড়া,আলিমা পাড়া,সি কালি পাড়া,ওয়াসাপাড়াতে আর্মি ও রাখাইনরা মিলিতভাবে হামলা চালিয়ে গরু,ছাগল,ধান,খাবার ও অন্যান্য মূল্যবান দ্রব্য লুন্ঠন করে,এবং গুলির ভয় দেখায় রোহিঙ্গাদের,এছাড়া আর্মি তরুণী মেয়েদের ধর্ষন করে কারণ কোন পুরুষ মানুষ সেখানে ছিল না।
এছাড়া বৃহস্পতিবারা হরসারা গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র আব্দুল মোনাফকে আর্মিরা হত্যা করে,তার কপালে ছুরিকাঘাত করা হয়,এছারা আর্মি তার পরিবারের সদস্যদের ধর্শন করে।
বুতিদং শহরের মৃত আব্দুস সালামের দুই পুত্র ও মাওলানা সোলায়মান এর পুত্রকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এই অভিযোগে তারা বাইরের দেশে তথ্য পাচার করছিল,এছাড়া পুলিশ বুতিদং থেকে রফিককে গ্রেফতার একই অভিযোগে।উল্লেখ্য,আব্দুস সালামের পুত্ররা ইউএনএইচসিআর এ কাজ করতেন।

রতেদং এ রাখাইনদের আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ফলে প্রায় ১০০০ জন মানুষ মারা যায় ,তি অ পিন,সরন কাতা,কুদির চং,পিং চং,সারাক,পিন,অন পিং ও মুজারদিয়া গ্রাম রাখাইনরা জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং অন্যান্য রোহিঙ্গা গ্রামসমূহে চিঠি পাঠিয়ে হুমকি প্রদান করেছে জ্বালিয়ে দেওয়ার।

Leave a Reply