হত্যা,লুন্ঠন,জ্বালাও পোড়াও অব্যাহত মংডু ও সিতওয়েতে

আকিয়াব,আরাকান।সিতওয়ে এর একজন ব্যবসায়ী জানান,রাখাইন উগ্রপন্থীরা সিতওয়ে ও মংডুতে রোহিঙাদের সম্পত্তি লুন্ঠন,হত্যা ও ঘরবাড়ী জ্বালানো অব্যাহত রেখেছে।”
“আজ সকাল ১১টা৩০ এর দিকে মলিয়েক,হুসাই পাড়া,আমলা পাড়া ও সিতওয়ে এর কুন দান ওয়ার্ড একদল রাখাইন উগ্রপন্থী পুলিশ ও দাঙা পুলিশের সহায়তায় জ্বালিয়ে দিয়েছে।
কিছু ঘর ধূলায় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ ও দাঙা পুলিশের গুলিতে অনেকে মারা গিয়েছে।
বিভিন্ন সুত্র অনুযায়ী কাদের এর কন্যা নুরজাহান(৭০),উ তিন স এর পুত্র তুরা স(৮) ও কন্যা মা নি নি,নুরুদ্দিন এর কন্যা দাও লুন লুন (২৯) ও সাজি দা(২৩),দাও লা তিন(৫৩) পিতাঃউ মং প্রু,মং তু সে মারা গিয়েছে তারা পাদি লিক গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।
এছাড়া রোহিঙা গ্রাম সাক্কা পিন থেকে সালেহ আহমেদ এর পুত্র নুর হোসেন(৩২),উ মং ব্রা এর পুত্র জালাল(৫৬),মং আই তুন পিতাঃমো আলী এবং উ কাউ মিন্ত এর সম্পূর্ন পরিবারকে পুলিশ হত্যা করেছে।
এছাড়া আব্দুর রহমান এর পুত্র মুজিবুর রহমান(২৪) কে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে,এছাড়া কাদের এর পুত্র সাদেক হুসেন(১৮),আনোয়ার এর পুত্র তাসমিন জুহার(২৮) ও আব্দুর রহমান এর পুত্র ইউনুস(১৪) পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন,তারা সবাই সিতওয়ের কুন দান ওয়ার্ডের অধিবাসী ছিলেন।
পরশু ২১ জন রোহিঙাকে সিতওয়েতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সিতওয়ে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কিন্তু তারা সবাই মারা যান গুরুতর আহত হওয়ার কারণে।
আম্লা পাড়া মাদ্রাসা,কং গি লেন এর মসজিদ,কুন দান ওয়ার্ড এর মসজিদ ও মাদ্রাসা ,মলই পাড়া এর মসজিদ,বুহার পাড়া এর মসজিদ,সান্তাওলির মসজিদ ,হোসাইপাড়া মসজিদ,রোহিঙাপড়া ও বোমো পাড়া মসজিদ পুলিশ,দাঙা পুলিশ ও রাখাইনরা পুড়িয়ে দেয়,এছাড়া নাজির পাড়া মার্কেটও পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া সুত্রানুযায়ী আর্মির গুলিতে ৮ জন রাখাইন ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা মারা যায় যখন তারা রোহিঙা গ্রামগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয় ও গুলি চালাচ্ছিল।কারণ ছিল যে,একজন আর্মি রাখাইনদের গুলিতে মারা যান।
উক্ত দূর্ঘটনার পর রোহিঙা গ্রামসমূহের নিয়ন্ত্রন আর্মি গ্রহন করেছে এবং এর ফলে রোহিঙাদের  মৃতদেহ  নাজিরপাড়া গ্রাম হতে তে চং গ্রামে আনা হয়।
রোহিঙারা এখন ভীত ও এবং তাদের কোন খাবার,খাদ্য ও চিকিৎসা সুবিধা নেই।
এছাড়া প্রায় ১১ ইঞ্জিন বোট যাতে ৫০০ রোহিঙা ছিল,এবং নারী ও শিশুরা নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় আছে কিন্তু বাংলাদেশী কতৃপক্ষ তাদের আশ্রয় দিচ্ছে না,এবং এখন তারা খাদ্য,পানি ও ওষুধের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
মংডুতে  কাশিম এর পুত্র মোহাম্মদ জিন্না(৫০),দিন মোহাম্মদ এর পুত্র জামিল হাসান(২৫),ইউনুসের পুত্র
আজিজুল হাসান(২০),জাহির আহমেদ,নুরুল আলম ও আরো চারজনকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় এবং তাদের যর্থার্থ খাদ্য প্রদান করা হয় নি জানান মংডুর একজন।
এছাড়া,মংডু শহরের যাও মাথের গ্রামের একজন বৃদ্ধা যার সাথে একজন কন্যা ছিল তাকে পুলিশ গুলি করে হত্তা করে।
এছাড়া,মংডু শহরের নাগাকুরা গ্রামের নাজির হুসেন্র এর পুত্র হুসেন আহমেদকে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে ফেরার সময় রাখাইনরা ছুরিকাঘাত করে,পরে তিনি মারা যান।
এছাড়া নাতালা গ্রামবাসীরা আলি কান থ গ্রাম যা রোহিঙা অধ্যুষিত সেখানে হামলা চালাতে গেলে তাদের আর্মি গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
মোঃখান,মো আলীর স্ত্রী হাসিনা ও নুরুল ইসলামকে পুলিশ রাত্রে তুলে নিয়ে যায় তারা সবাই বমু পাড়ার অধিবাসী ছিলেন।
এছাড়া ৫ নং ওয়ার্ড থেকে জামিল আহমেদ,তার পুত্র ইয়াসিন ও আরো দুইজন গ্রামবাসীকে সন্ধ্যায় পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।
সন্ধ্যায় দক্ষিন মংডু থেকে ৪ জন রোহিঙাকে ও ৪ নং ওয়ার্ড থেকে ৫জন কে ধরে নিয়ে মংডু পুলিশ স্টেশনে পাঠানো হয়।
এছাড়া,দুইজন রাখাইন আর্মি পোশাকে এসে বাগুনা গ্রামে এসে মিসেস মোরিনা খাতুন,মিসেস লারুনী ও তৈয়বা খাতুন এর অলংকার দখল করে পালিয়ে যায়।

Leave a Reply