রাখাইন উগ্রপন্থী,পুলিশ ও লুন্টিং মংডূতে রোহিঙাদের উপর হামলা চালাল

মংডু,আরাকান।একদল রাখাইন উগ্রপন্থী,পুলিশ ও লুন্টিন রোহিঙ্গাদের সম্পত্তি ধব্বংস সাধন করছে,এছাড়া তারা ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে এবং মসজিদ ভাংচুর করছে,এছাড়া তাদের হাতে রোহিঙ্গারা হত্যার স্বীকার হচ্ছে।
“গত রাতে রাষ্ট্রপতির ভাষনের পর উত্তর আরাকান আর্মির হাতে হস্তান্তর করা হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য।
আর্মি মংডু গতরাতে নিয়ন্ত্রন করছিল এবং এর ফলে মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল,কিন্তু সকালে তারা চলে যাওয়ার পর পুলিশ ও উগ্রপন্থী রাখাইনরা পুনরায় ধরপাকড় শূরু করে এবং রোহিঙাদের হত্যা করে।”
“পুলিশ,লুনটিন ও রাখাইনরা ৫ নং ওয়ার্ডে তিনটি ঘর ধূলার সাথে মিশিয়ে দেয় যার মধ্যে প্রাক্তন এমপি ফজল আহমেদ এর ঘরও ছিল,এছাড়া তিন নং ওয়ার্ডের একটি মসজিদ ও একটি ঘর যার মালিক কালাম তা পূড়িয়ে দেওয়া হয়।
দুই নং ওয়ার্ডের নুরুল ইসলাম ,সায়েদ হুসেইন ও ফিরোজের ঘর পূড়িয়ে দেওয়া হয় এবং মিডল স্কুলের সামনে এখনও কিছু ঘর পূড়ছে।দুপুর ১২টার দিকে ফাজি পাড়া পুলিশ রাখাইন লুন্টিন ঘেরাও করে এবং রাখাইনরা  তাদের সামনে সৈয়দ হুসেনকে হত্যা করে।
৫টি ইঞ্জিন বোট যার মধ্যে ৩০০ মানুষ ছিল ,এছাড়া শিশু ও নারীরাও ছিল তারা সকালে শাহপরীর দ্বীপে আসে কিন্তু বিজিবি তাদের পুশ ব্যাক করে ,পরে তারা সেন্ট মার্টিন এ গেলে সেখান থেকেও  তাদের পুশ ব্যাক করা হলে তারা আরাকানে ফেরত যান।
এছাড়া,সকাল ১১টার দিকে রোহিঙ্গা মৃতদেহবাহী একটি ট্রাক পুরাতন জেলের সামনে দেখা যায় যা পুলিশ নিয়ে যায় ,কিন্তু কোথায় তা কেউ জানে না!উল্লেখ্য এগুলো আগের মারা যাওয়া রোহিঙাদের মৃতদেহ ছিল।
রাষ্ট্রপতি থিন সেন এর ঘোষনার পর আর্মি নিয়ন্ত্রন নিলেও এখনও পুলিশ ও অন্যান্যরা রোহিঙাদের হত্যা করছে ,আর্মির নিয়ন্ত্রনে এরূপ কার্যক্রম রোহিঙাদের অবাক করেছে।

Leave a Reply