পুলিশ ও রাখাইনরা মংডুতে রোহিঙাদের ঘরে অগ্নিসংযোগ করছে

মংডু,আরাকান।থান তিন যিনি মংডুর পুলিশ অফিসার তিনি একদল উগ্রপন্থী রাখাইন ,দাঙ্গা পুলিশ ও পুলিশ নিয়ে বমু গ্রামের রোহিঙাদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে,জানান একজন মংডূর একজন স্থানীয়।

“শহর যথেষ্ট শান্ত ছিল যখন আর্মি উক্ত শহরে অবস্থান নেয়,গতকাল থেকে কিন্তু আর্মি উক্ত শহর পরিত্যাগ করার পর থেকে একদল পুলিশ কর্মকর্তা ও রাখাইন উগ্রপন্থী দাঙা পুলিশ এর সহায়তায় বমু গ্রামে নুর মোহাম্মদ ও আরো কয়েকজন রোহিঙার ঘর পুড়িয়ে দেয়।
শহর আবারা অশান্ত হয়ে গিয়েছে এবং রোহিঙ্গারা অস্বস্তির সাথে দিন পার করছে।
যখন ঘরগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়,তখন একদল আর্মি সেখানে ছুটে যায়,তাদের দেখে পুলিশ অফিসার ও অন্যরা পালিয়ে যায়।এমনকি থান থিন ও তার স্টেশনে ফেরত যান,যা মংডুর অবস্থা স্থিতিশীল রাখার দ্বায়িত্বে আছে,যার কাজ আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন সেখানে তাতে উসকানি দেওয়ার মত কাজ যদি পুলিশ কর্মকর্তা করে তাহলে আর কি বা বলার আছে!
১৪৪ ধারা মংডুতে কেবল রোহিঙাদের উপর প্রযোজ্য কিন্তু রাখাইনরা এটি মান্য করছে না এবং তারা সব জায়গায় চলাফেরা করছে।রোহিঙারা ঘরে বসে আছে বলে জানান একজন স্কুল শিক্ষক।
রাখাইনরা পুলিশের সাহায্যে রোহিঙ্গাদের ঘর থেকে খাদ্য শস্য ও জিনিসপত্র লুন্ঠন করছে।
রোহিঙারা এখন খাদ্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

Leave a Reply