জুন ১১ এর মংডূ এর সন্ধ্যার অবস্থা

মংডূ,আরাকান।বার্মিজ রাষ্ট্রপতি ঘোষনা দেন যে ,জুন ১০ থেকে আর্মি আরাকানের সহিংস এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রন নিবে।কিন্তু জুন ১১ এর সকালে একদল রাখাইন ,পুলিশের সাথে মিলিত হয়ে রোহিঙাদের হত্যা,নির্যাতন,লুন্ঠন করতে শূরু করে
সরফরাজ এর তনয়া জামিলা যার ঘর সেজার এ ,সে তার আত্নীয় বাড়ী এসেছিল,বিয়ের জন্য ছবি তুলতে,কিন্তু সে জীবিত অবস্থায় তার ঘরে ফিরে যেতে পারে।তাকে সকাল দশটায় পুলিশ গুলি করে মারে,তার তিন ভাই তার সাথে ছিল কিন্তু তাদের সবাইকে পাওয়া যায় নি।
মংডু দক্ষিণ ও উত্তরে আর্মি মোতায়েন করা হলেও মংডূ শহরে তা করা হয় নি,যদিও সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ সেজার দক্ষিন গ্রামে গুলি বর্ষন করে,যখন অধিবাসীরা সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল।অং বালা
গ্রামের রাখাইন গ্রামবাসীরা সেখানে লুন্ঠন চালায়,এছাড়া সেজার গ্রামে দুই ট্রাক রাখাইন তরুন  এসে লুন্ঠন করে,এবং রোহিঙারা ভীতির মধ্যে বাস করছে।
এছাড়া হাইওয়েতে বসে থাকা অবস্থায় দুইজন রোহিঙাকে গুলি বর্ষন করে হত্যা করা হয়।
এছাড়া,মাওলানা জিয়াউল হক যিনি আকিয়াব জুমা মসজিদ এর ইমাম তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয় যখন রাখাইনরা মসজিদটি ধব্বংসের চেষ্টা চালায়।

Leave a Reply