Killing, torching and looting continue in Sittwe and Maungdaw

Akyab (Sittwe), Arakan State: Killing, torching houses and looting the properties of the Rohingyas have been continued in Sittwe and Maungdaw by police, Hluntin and a group of Rakhine racists, said a trader from Sittwe.


Continue reading “Killing, torching and looting continue in Sittwe and Maungdaw”

পুলিশ ও রাখাইনরা মংডুতে রোহিঙাদের ঘরে অগ্নিসংযোগ করছে

মংডু,আরাকান।থান তিন যিনি মংডুর পুলিশ অফিসার তিনি একদল উগ্রপন্থী রাখাইন ,দাঙ্গা পুলিশ ও পুলিশ নিয়ে বমু গ্রামের রোহিঙাদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে,জানান একজন মংডূর একজন স্থানীয়।

Continue reading “পুলিশ ও রাখাইনরা মংডুতে রোহিঙাদের ঘরে অগ্নিসংযোগ করছে”

Police and Rakhine again set on fire Rohingya houses in Maungdaw

Maungdaw, Arakan State : : Than Tin , the police officer from Maungdaw, led a group of Rakhine racists, Hluntin (riot police) and police  again set on fire Rohingya houses from Bomu village after army leaving  from town this  morning, according to an elder from Maungdaw.

Police , Hluntin (riot police) and A group of Rakhine racists set on fire Rohingya  house ( smoke rise up)
Continue reading “Police and Rakhine again set on fire Rohingya houses in Maungdaw”

Rohingyas from Akyab stranded in Nafe River ( Photo News)

Around ten boats were arrived and stranded in Naf River where the Rohingyas have no foods and no water. Some Rohingya women and children need medical assistant. One pregnant was died while she delivering.  Three children also died on the boat.

বাংলা ভার্সন: আকিয়াব থেকে আসা রোহিঙাদের নাফ নদীতে দিনাতিপাত
প্রায় দশটি বোটে করে আসা রোহিঙারা এখন পানির উপর দিনাতিপাত করছে ,যাদের মধ্যে শিশু ও নারীরাও আছে,এই সমস্ত শিশু ও নারীদের ওষূধ দরকার।ইতিমধ্যে একজন প্রসুতি ওষুধের অভাবে মারা গেছে,এছাড়া তিনটি শিশুও বোটে মারা গেছে।

Continue reading “Rohingyas from Akyab stranded in Nafe River ( Photo News)”

রাখাইন উগ্রপন্থী,পুলিশ ও লুন্টিং মংডূতে রোহিঙাদের উপর হামলা চালাল

মংডু,আরাকান।একদল রাখাইন উগ্রপন্থী,পুলিশ ও লুন্টিন রোহিঙ্গাদের সম্পত্তি ধব্বংস সাধন করছে,এছাড়া তারা ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে এবং মসজিদ ভাংচুর করছে,এছাড়া তাদের হাতে রোহিঙ্গারা হত্যার স্বীকার হচ্ছে।
“গত রাতে রাষ্ট্রপতির ভাষনের পর উত্তর আরাকান আর্মির হাতে হস্তান্তর করা হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য।
আর্মি মংডু গতরাতে নিয়ন্ত্রন করছিল এবং এর ফলে মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল,কিন্তু সকালে তারা চলে যাওয়ার পর পুলিশ ও উগ্রপন্থী রাখাইনরা পুনরায় ধরপাকড় শূরু করে এবং রোহিঙাদের হত্যা করে।”
“পুলিশ,লুনটিন ও রাখাইনরা ৫ নং ওয়ার্ডে তিনটি ঘর ধূলার সাথে মিশিয়ে দেয় যার মধ্যে প্রাক্তন এমপি ফজল আহমেদ এর ঘরও ছিল,এছাড়া তিন নং ওয়ার্ডের একটি মসজিদ ও একটি ঘর যার মালিক কালাম তা পূড়িয়ে দেওয়া হয়।
দুই নং ওয়ার্ডের নুরুল ইসলাম ,সায়েদ হুসেইন ও ফিরোজের ঘর পূড়িয়ে দেওয়া হয় এবং মিডল স্কুলের সামনে এখনও কিছু ঘর পূড়ছে।দুপুর ১২টার দিকে ফাজি পাড়া পুলিশ রাখাইন লুন্টিন ঘেরাও করে এবং রাখাইনরা  তাদের সামনে সৈয়দ হুসেনকে হত্যা করে।
৫টি ইঞ্জিন বোট যার মধ্যে ৩০০ মানুষ ছিল ,এছাড়া শিশু ও নারীরাও ছিল তারা সকালে শাহপরীর দ্বীপে আসে কিন্তু বিজিবি তাদের পুশ ব্যাক করে ,পরে তারা সেন্ট মার্টিন এ গেলে সেখান থেকেও  তাদের পুশ ব্যাক করা হলে তারা আরাকানে ফেরত যান।
এছাড়া,সকাল ১১টার দিকে রোহিঙ্গা মৃতদেহবাহী একটি ট্রাক পুরাতন জেলের সামনে দেখা যায় যা পুলিশ নিয়ে যায় ,কিন্তু কোথায় তা কেউ জানে না!উল্লেখ্য এগুলো আগের মারা যাওয়া রোহিঙাদের মৃতদেহ ছিল।
রাষ্ট্রপতি থিন সেন এর ঘোষনার পর আর্মি নিয়ন্ত্রন নিলেও এখনও পুলিশ ও অন্যান্যরা রোহিঙাদের হত্যা করছে ,আর্মির নিয়ন্ত্রনে এরূপ কার্যক্রম রোহিঙাদের অবাক করেছে।

জুন ১১ এর মংডূ এর সন্ধ্যার অবস্থা

মংডূ,আরাকান।বার্মিজ রাষ্ট্রপতি ঘোষনা দেন যে ,জুন ১০ থেকে আর্মি আরাকানের সহিংস এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রন নিবে।কিন্তু জুন ১১ এর সকালে একদল রাখাইন ,পুলিশের সাথে মিলিত হয়ে রোহিঙাদের হত্যা,নির্যাতন,লুন্ঠন করতে শূরু করে
সরফরাজ এর তনয়া জামিলা যার ঘর সেজার এ ,সে তার আত্নীয় বাড়ী এসেছিল,বিয়ের জন্য ছবি তুলতে,কিন্তু সে জীবিত অবস্থায় তার ঘরে ফিরে যেতে পারে।তাকে সকাল দশটায় পুলিশ গুলি করে মারে,তার তিন ভাই তার সাথে ছিল কিন্তু তাদের সবাইকে পাওয়া যায় নি।
মংডু দক্ষিণ ও উত্তরে আর্মি মোতায়েন করা হলেও মংডূ শহরে তা করা হয় নি,যদিও সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ সেজার দক্ষিন গ্রামে গুলি বর্ষন করে,যখন অধিবাসীরা সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল।অং বালা
গ্রামের রাখাইন গ্রামবাসীরা সেখানে লুন্ঠন চালায়,এছাড়া সেজার গ্রামে দুই ট্রাক রাখাইন তরুন  এসে লুন্ঠন করে,এবং রোহিঙারা ভীতির মধ্যে বাস করছে।
এছাড়া হাইওয়েতে বসে থাকা অবস্থায় দুইজন রোহিঙাকে গুলি বর্ষন করে হত্যা করা হয়।
এছাড়া,মাওলানা জিয়াউল হক যিনি আকিয়াব জুমা মসজিদ এর ইমাম তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয় যখন রাখাইনরা মসজিদটি ধব্বংসের চেষ্টা চালায়।